আবু মোরশেদ চৌধুরী:
রোহিঙ্গা সংকট নয় বছর অতিক্রম করে দশম বছরে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই সংকটের শুরুতে ছিল একটি জরুরি মানবিক পরিস্থিতি। তখন মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের জীবন রক্ষা, আশ্রয়, খাদ্য, চিকিৎসা, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও অন্যান্য মৌলিক মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা। কিন্তু দীর্ঘ নয় বছরেও প্রত্যাবাসন সম্ভব না হওয়ায় পরিস্থিতি এখন আর কেবল একটি জরুরি মানবিক সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি ক্রমেই একটি দীর্ঘমেয়াদি, জটিল ও বহুমাত্রিক সংকটে পরিণত হয়েছে। রোহিঙ্গা এবং হোস্ট কমিউনিটি উভয়ই চরম হতাশা আর অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে। অপরদিকে প্রতি বছর ক্যম্পে প্রায় ৩০ হাজার নুতন শিশু জন্ম নিচ্ছে।
এই বাস্তবতায় মানবিক সংকট মোকাবেলার ধরন, দৃষ্টিভঙ্গিতেও পরিবর্তন আনা জরুরি। শুধু ত্রাণনির্ভরতা নয়, নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে ফেরত না যাওয়া পরযন্ত রোহিঙ্গাদের মর্যাদা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জীবিকা, সক্ষমতা ও আত্মনির্ভরতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার সময় এসেছে। একই সঙ্গে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা।
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন এখনো বাস্তবায়িত হয়নি,বরং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের চলমান সংঘাত ও অনিশ্চয়তা নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পথকে আরও জটিল করে তুলেছে। মিয়ানমার সম্প্রতি ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে দেয়া তালিকার মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে যাচাই করার কথা জানালেও নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব নয়,এমন অবস্থানও তারা জানিয়েছে।
এ অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে,প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের নিয়ে আমাদের মানবিক ও উন্নয়ন ভাবনা কী হবে?
শুধু খাদ্য, আশ্রয়, চিকিৎসা, শিক্ষা, পানি ও স্যানিটেশনের মতো মৌলিক মানবিক সহায়তা দিয়ে একটি দীর্ঘস্থায়ী সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব নয়? মানুষের বেঁচে থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন মর্যাদা, উদ্দেশ্য, সুযোগ, সক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যতের আশা।
গত নয় বছরে সরকার, জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খাদ্য, আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, সুরক্ষা, পানি ও স্যানিটেশনের মতো মৌলিক সেবা নিশ্চিত হয়েছে। এসব উদ্যোগ লাখ লাখ মানুষের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু মানুষ শুধু বেঁচে থাকার জন্য বাঁচে না,মানুষ বাঁচে সম্ভাবনা, মর্যাদা ও ভবিষ্যতের আশাকে ধারণ করে।
এখন রোহিঙ্গাদের কেবল মানবিক সহায়তার ‘গ্রহীতা’ হিসেবে বিবেচনা না করে তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি জরুরি।।
এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষক, কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন মানুষ, উদ্যোক্তা, কারুশিল্পী, সমাজনেতা এবং বিপুলসংখ্যক তরুণ রয়েছে। যথাযথ সুযোগ ও সহায়তা পেলে এই মানবসম্পদকে দক্ষ ও উৎপাদনশীল মানব পুঁজিতে পরিণত করা সম্ভব।
তবে আত্মনির্ভরতার অর্থ কোনোভাবেই মানবিক সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া নয়। বরং মানবিক সহায়তার পাশাপাশি বাংলাদেশের আইন, নীতি ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল শিক্ষা, আর্থিক সাক্ষরতা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং কমিউনিটি ভিত্তিক উদ্যোগের সুযোগ তৈরি করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা ।
বিশেষ করে তরুণদের অর্থবহ কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘস্থায়ী কর্মহীনতা ও নিষ্ক্রিয়তা তরুণদের বিভিন্ন ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিতে পারে। দক্ষতা উন্নয়ন ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ড তাদের মানবপাচার, মাদক, অপরাধী চক্রসহ বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব উদ্যোগ অবশ্যই বাংলাদেশের আইন, নীতি, বিধিবিধান এবং সুরক্ষা-সংবেদনশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ জরুরি,ক্যাম্পে বসবাসরত তরুণদের জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, ডিজিটাল দক্ষতা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ক্ষুদ্র উদ্যোগ পরিচালনা এবং বাজারমুখী বিভিন্ন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা দরকার।
এর মাধ্যমে তারা শুধু বর্তমান সময়ে আত্মবিশ্বাস ও অর্থবহ সম্পৃক্ততার সুযোগ পাবে না,ভবিষ্যতে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পরও এসব দক্ষতা তাদের জীবিকা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং নিজ সম্প্রদায়ের পুনর্গঠনে কাজে লাগবে।অর্থাৎ, আজকের দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ হতে পারে আগামী দিনের প্রত্যাবাসন ও পুনর্গঠনের প্রস্তুতি।
এই দীর্ঘমেয়াদি সংকটে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণেরও প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত মনে করি। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও মানবিক সহায়তার সীমিত সম্পদের কথা বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করাও জরুরি।
প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, বাজার সম্পর্কে জ্ঞান, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বেসরকারি খাত প্রশিক্ষণ, সামাজিক উদ্যোগ, ডিজিটাল শিক্ষা, কমিউনিটিভিত্তিক উৎপাদন ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা করতে পারে।
রোহিঙ্গাদের তৈরি উপযুক্ত হস্তশিল্প, কারুশিল্প ও অন্যান্য পণ্য মানসম্মতভাবে বাজারজাত করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করার সুযোগও তৈরি করা যেতে পারে।
তবে একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার, বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা মানবিক সহায়তার বিকল্প নয়, এটি মানবিক সহায়তার পরিপূরক।
ভুলে গেলে চলবে না, হোস্ট কমিউনিটিকে বাদ দিয়ে কোনো পরিকল্পনা নয়।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কল্যাণের সঙ্গে কক্সবাজারের স্থানীয় ও হোস্ট কমিউনিটির কল্যাণ গভীরভাবে সম্পর্কিত। দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক বাস্তুচ্যুত মানুষের উপস্থিতির কারণে স্থানীয় অবকাঠামো, বাজার, প্রাকৃতিক সম্পদ, জনসেবা ও জীবিকার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে।
তাই রোহিঙ্গাদের সক্ষমতা ও আত্মনির্ভরতার উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্যও সমান্তরাল সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
যৌথ দক্ষতা উন্নয়ন, স্থানীয় উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কমিউনিটি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির উদ্যোগ দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতা বাড়াতে পারে। Joint Response Plan-এও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশাপাশি কক্সবাজারের হোস্ট কমিউনিটির প্রয়োজনকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে।
এখন আর স্থানীয় সংগঠন গুলোকে শুধু বাস্তবায়নকারী হিসেবে দেখা যাবে না।
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় এনজিও ও কমিউনিটি ভিত্তিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা স্থানীয় বাস্তবতা, সংস্কৃতি, ঝুঁকি ও সম্ভাবনা সম্পর্কে গভীরভাবে জানে।
কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণ, অর্থায়ন ও কর্মসূচি পরিচালনায় স্থানীয় সংগঠনগুলোর ভূমিকা এখনো অনেক ক্ষেত্রে সীমিত।
Localization বা স্থানীয়করণ শুধু পরামর্শ গ্রহণের নাম নয়। এটি হতে হবে অর্থবহ অংশগ্রহণ, সমতাভিত্তিক অংশীদারিত্ব এবং যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া।
স্থানীয় সংগঠনগুলোকে শুধু বাস্তবায়নকারী অংশীদার হিসেবে নয়, বরং কৌশলগত অংশীদার এবং মানবিক সমাধানের সহ-নির্মাতা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন নমনীয়, পূর্বানুমানযোগ্য ও মানসম্পন্ন অর্থায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীলভাবে ঝুঁকি ভাগাভাগির ব্যবস্থা।
আমরা বিশ্বাস করি প্রত্যাবাসনই হচ্ছে চূড়ান্ত সমাধান।
রোহিঙ্গাদের আত্মনির্ভরতার আলোচনা কখনোই প্রত্যাবাসনের দাবিকে দুর্বল করার জন্য নয়, বরং প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত তাদের জীবন, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে সুরক্ষিত রাখার জন্য।
রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার জন্য নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে যাতে তারা আবারও নিপীড়ন ও বাস্তুচ্যুতির শিকার না হয়, সেই নিশ্চয়তা দিতে হবে।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত ও অনিশ্চয়তার মধ্যে জোরপূর্বক বা অস্থিতিশীল প্রত্যাবাসন কোনোভাবেই টেকসই সমাধান হতে পারে না। তাই সংকটের মূল কারণ মোকাবিলায় কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ আরও জোরদার করতে হবে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা দরকার।রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়,এটি একটি আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংকট। ফলে এর সমাধানের দায়ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নিতে হবে।জাতিসংঘ, দাতা দেশ ও সংস্থা, আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান এবং বিশেষ করে মিয়ানমার, চীন ও আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোকে সংকটের রাজনৈতিক সমাধানে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করা জরুরি ।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে। দীর্ঘস্থায়ী সংকটের কারণে মানবিক সহায়তার অর্থায়নে যে ক্লান্তি বা সংকোচ তৈরি হচ্ছে, তা রোহিঙ্গা ও হোস্ট কমিউনিটি উভয়ের জন্যই নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
নয় বছর ধরে বাস্তুচ্যুত থাকার পর রোহিঙ্গা সংকট আমাদের প্রচলিত মানবিক কার্যক্রমের পদ্ধতিকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।
এখন সময় এসেছে “মানুষের জন্য আরও কিছু করার” পাশাপাশি “মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আরও কিছু করার।”
মানবিক সহায়তা অবশ্যই অব্যাহত রাখার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, দক্ষতা, সক্ষমতা, মর্যাদা ও আত্মনির্ভরতার ওপর বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি । স্থানীয় নেতৃত্বকে শক্তিশালী, সমতাভিত্তিক অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে সময়ের দাবি । দায়িত্বশীলভাবে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি হোস্ট কমিউনিটির স্বার্থকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
সাফল্য শুধু কতজন মানুষ কতটুকু সহায়তা পেলেন, তা দিয়ে পরিমাপ করা উচিত নয়। বরং দেখতে হবে,তাদের দক্ষতা, মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস, সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং ভবিষ্যতের আশাবাদ কতটা বৃদ্ধি পেল।
শেষ পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের প্রাপ্য ভবিষ্যৎ হলো নিজেদের মাতৃভূমিতে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন।
ততদিন পর্যন্ত মানবিক সহায়তা তাদের জীবন রক্ষা করবে, আর শিক্ষা, দক্ষতা, মর্যাদা, সক্ষমতা ও আত্মনির্ভরতার উদ্যোগ রক্ষা করবে তাদের ভবিষ্যৎ।
কারণ কল্যাণ মানুষকে শক্তি দেয়, মর্যাদা মানুষকে আশা দেয়, আর আত্মনির্ভরতা মানুষকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখায়।
রোহিঙ্গা সংকট তাই শুধু একটি জনগোষ্ঠীর বর্তমান দুর্দশার প্রশ্ন নয়,এটি একটি নির্যাতিত ও বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর একটি প্রজন্মের ভবিষ্যতের প্রশ্ন।
তাই প্রত্যাবাসনই চূড়ান্ত সমাধান। কিন্তু প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা, রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং ক্যাম্পের ভেতরে শিক্ষা, দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করার পাশাপাশি অনৈতিক কর্মকান্ডে থেকে বিরত রাখা, এটাই আমাদের সম্মিলিত মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব।
