আবু মোরশেদ চৌধুরী:
গণতন্ত্রকে আমরা প্রায়ই এমন একটি ব্যবস্থা হিসেবে দেখি, যেখানে জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করে। কিন্তু গণতন্ত্র কেবল নির্বাচন বা ভোট দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একটি কার্যকর ও সুস্থ গণতন্ত্র নির্ভর করে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সচেতনতা, দায়িত্ববোধ এবং ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার উপর।
অনেকে আমরা আমলে নেই না,যখন মানুষ রাজনৈতিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, ক্ষমতাসীনদের প্রশ্ন করা বন্ধ করে দেয় কিংবা মনে করতে শুরু করে যে তাদের অংশগ্রহণে কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়, তখন সৃষ্টি হয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায় রাজনৈতিক উদাসীনতা বা Political Apathy, বাইরে থেকে এটি নীরব ও ক্ষতিকরহীন বলে মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি গণতন্ত্রের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিতে পারে এবং জবাবদিহিহীন ক্ষমতার জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে।
রাজনৈতিক উদাসীনতা বলতে, দেশের রাজনৈতিক ও নাগরিক কর্মকাণ্ডের প্রতি মানুষের আগ্রহ, উদ্বেগ কিংবা অংশগ্রহণের ইচ্ছার অভাবকে বোঝায়। এর প্রকাশ ঘটতে পারে নির্বাচনে কম ভোটার উপস্থিতি, জনস্বার্থের বিষয়গুলোর প্রতি উদাসীনতা, রাজনৈতিক আলোচনা থেকে নিজেকে দূরে রাখা কিংবা রাজনীতিকে দুর্নীতিগ্রস্ত, অপ্রাসঙ্গিক অথবা অর্থবহ পরিবর্তন আনতে অক্ষম মনে করার মাধ্যমে।
এর সঙ্গে Political Alienation বা রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতারও কিছুটা সম্পর্ক রয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতার অর্থ এই নয় যে মানুষের কোনো রাজনৈতিক মতামত নেই। অনেক সময় মানুষের মতামত থাকে, কিন্তু তারা তা প্রকাশ করতে কিংবা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে আগ্রহী হয় না। কারণ তারা মনে করে, তাদের কথা কেউ শুনবে না অথবা তাদের অংশগ্রহণে বাস্তবে কোনো পরিবর্তন আসবে না।
রাজনৈতিক উদাসীনতা তৈরির পেছনে নানা ধরনের কারণ রয়েছে। আমাদের দেশে স্বাধীনতার পূর্ববর্তী সময়ে এবং স্বাধীনতার পরও কিছু সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে যে রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণের প্রবণতা ছিল, তা ক্রমে অনেকাংশে দুর্বল হয়েছে বলে মনে হয়।
রাজনৈতিক নেতাদের দ্বৈত নীতি, জনবিচ্ছিন্নতা, দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক সংঘাত, দুর্নীতি, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, দুর্বল সুশাসন এবং রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থার সংকট মানুষের মধ্যে হতাশা ও অনাগ্রহ তৈরি করতে পারে।
মানুষ যখন বারবার মনে করে যে প্রত্যাশা নিয়ে তারা প্রতিনিধি নির্বাচন করেছিল, বাস্তবে তাদের মতামত উপেক্ষিত হচ্ছে; প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের উদ্বেগের প্রতি সাড়া দিচ্ছে না,কিংবা নির্বাচন কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে পারছে না, তখন তারা ধীরে ধীরে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিতে পারে।
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান অনিয়ম ও অন্যায়ের যথাযথ তদারকি ও প্রতিকার না হলে তা একসময় সমাজে স্বাভাবিক বা সহনীয় বলে বিবেচিত হতে শুরু করে। অন্যায় যখন নিয়মে পরিণত হয় এবং মানুষ প্রতিকার পাওয়ার আশা হারিয়ে ফেলে, তখন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি অবিশ্বাস ও অনাস্থা আরও গভীর হয়। এটি একটি রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রবণতা।
অর্থনৈতিক সংকট, সামাজিক বৈষম্য, নাগরিক ও রাজনৈতিক শিক্ষার ঘাটতি এবং ভুল তথ্যও রাজনৈতিক উদাসীনতা ও বিচ্ছিন্নতা বাড়াতে পারে। জীবিকার সংগ্রামে ব্যস্ত মানুষের কাছে অনেক সময় রাজনৈতিক অংশগ্রহণের চেয়ে খাদ্য, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক সেবা নিশ্চিত করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম রাজনীতি থেকে দূরে সরে যেতে পারে, যদি তারা মনে করে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতিনিধিত্ব করছে না, তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণের সুযোগ দিচ্ছে না কিংবা সময়ের চাহিদার সঙ্গে রাজনৈতিক ব্যবস্থার কোনো সামঞ্জস্য নেই।
এই বিচ্ছিন্নতা দীর্ঘস্থায়ী হলে একটি প্রজন্ম এমন ধারণা নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে যে রাজনীতি এমন একটি বিষয়, যা তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং যেখানে তাদের নিজেদের কোনো কার্যকর ভূমিকা নেই।
সময়ে রাজনৈতিক উদাসীনতা ধীরে ধীরে গণতন্ত্রের জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। কারণ গণতন্ত্রের শক্তি শেষ পর্যন্ত নির্ভর করে তার নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর।
প্রথমত: ভোটার অংশগ্রহণ কমে যায়।নির্বাচন জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বিপুলসংখ্যক মানুষ ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকলে জনগণের ব্যাপক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ ছাড়াই সরকার নির্বাচিত হতে পারে।
এ ধরনের পরিস্থিতি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে এক ধরনের আত্মতুষ্টি বা দাম্ভিকতা তৈরি করতে পারে তারা মনে করতে পারেন, ” আমরাই তো জনপ্রতিনিধি,আমাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।” অথচ গণতন্ত্রে জনপ্রতিনিধিত্ব কখনো জনগণের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার লাইসেন্স হতে পারে না।
দ্বিতীয়ত: জবাবদিহি দুর্বল হয়ে যায়,একটি সুস্থ গণতন্ত্রে নাগরিকরা শুধু নির্বাচনের দিন ভোট দিয়েই তাদের দায়িত্ব শেষ করেন না। তারা সরকারের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করেন, বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, স্বচ্ছতা দাবি করেন এবং দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কথা বলেন।
নাগরিকরা নীরব থাকলে রাজনৈতিক নেতাদের উপর জবাবদিহির চাপও কমে যায়। ফলে ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ বাড়তে পারে।
তৃতীয়ত: কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার সুযোগ তৈরি হয়। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর রাখতে জনগণের নিয়মিত নজরদারি ও অংশগ্রহণ অপরিহার্য। নাগরিকরা উদাসীন হয়ে পড়লে ক্ষমতার অপব্যবহার চ্যালেঞ্জহীন থাকতে পারে, প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হতে পারে এবং ক্ষমতার ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে পারে।
তখন ক্ষমতাসীনদের মধ্যে এমন একটি ধারণা তৈরি হতে পারে যে, ” জনগণ তো কোনো প্রতিবাদ করছে না,নিশ্চয়ই আমাদের সিদ্ধান্ত সঠিক ও চূড়ান্ত।
চতুর্থত: রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে,
দায়িত্বশীল নাগরিকরা রাজনীতি থেকে সরে গেলে দলীয়, সংগঠিত ও সংকীর্ণ স্বার্থের গোষ্ঠীগুলো অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেতে পারে।
এর ফলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বার্থের পরিবর্তে সীমিত কিছু গোষ্ঠীর স্বার্থকে বেশি প্রতিফলিত করতে পারে।
পঞ্চমত: ভুল তথ্য ও অপপ্রচারের ঝুঁকি বাড়ে,
একটি উদাসীন সমাজ ভুল তথ্য, গুজব, অপপ্রচার ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কাছে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা না করলে মানুষ সহজেই বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রভাবে পড়তে পারে।এর ফলে সমাজে বিভাজন বাড়ে এবং যুক্তিনির্ভর, সহনশীল ও গঠনমূলক জনআলোচনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গণতন্ত্র শুধু ভোট দেওয়ার বিষয় নয়। গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ নির্বাচনের দিনেই শেষ হওয়া উচিত নয়,বরং নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়েও নাগরিকদের সক্রিয় থাকা প্রয়োজন।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, সরকারি সেবার মান কেমন, জনস্বার্থের বিষয়গুলো কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে,এসব বিষয়ে নাগরিকদের নজরদারি থাকা জরুরি।
পেশাজীবী, স্থানীয় সংগঠন, নাগরিক সমাজ, জনআলোচনা, শান্তিপূর্ণ advocacy, স্বাধীন গণমাধ্যম এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে গঠনমূলক যোগাযোগের মাধ্যমে মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে।
একই সঙ্গে সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি, সরকারি সেবার মান পর্যবেক্ষণ এবং রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি দাবি করাও নাগরিক অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তবে এখানে একটি মৌলিক প্রশ্ন থেকেই যায়,জনগণ কি সেই পরিবেশ পাচ্ছে? তাদের মতামত প্রকাশ ও অংশগ্রহণের যথেষ্ট সুযোগ আছে কি? তাদের মধ্যে সেই আগ্রহ ও আস্থা তৈরি করা যাচ্ছে কি?
রাজনৈতিক অংশগ্রহণ মানে অন্ধ আনুগত্য নয়
রাজনৈতিক অংশগ্রহণ মানে কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতার প্রতি শর্তহীন আনুগত্য নয়। একটি সুস্থ গণতন্ত্রে নাগরিকরা ভালো নীতিকে সমর্থন করবেন, আবার ভুল ও অনিয়মের সমালোচনাও করবেন,সেটি যে দল বা নেতার ক্ষেত্রেই হোক না কেন।
গণতন্ত্রে মতপার্থক্য স্বাভাবিক। কিন্তু মতপার্থক্যের কারণে একে অপরকে শত্রু মনে করা, ঘৃণা ছড়ানো কিংবা অন্ধ আনুগত্য প্রদর্শন কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।
বরং একটি পরিণত গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে ভিন্নমতকে সম্মান করা, যুক্তি দিয়ে মত প্রকাশ করা এবং অন্যের মত শোনার মানসিকতা থাকা জরুরি।
উদাসীনতা থেকে সক্রিয় নাগরিকত্বের পথে
রাজনৈতিক উদাসীনতা মোকাবিলার জন্য প্রথমেই জনগণের আস্থা পুনর্গঠন করা জরুরি। রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব হতে হবে।
রাজনৈতিক নেতাদের তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে যে নাগরিকদের মতামতের মূল্য রয়েছে এবং জনসেবা একটি দায়িত্ব কোনো বিশেষ সুবিধা নয়।
একই সঙ্গে নাগরিক ও রাজনৈতিক শিক্ষাকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে। নাগরিকদের শুধু তাদের অধিকার সম্পর্কে নয়, তাদের দায়িত্ব সম্পর্কেও সচেতন করতে হবে।
স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যম একটি সচেতন, দায়িত্বশীল ও সহনশীল নাগরিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ডিজিটাল মাধ্যমও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে অনলাইন বিভ্রান্তি, অপপ্রচার ও রাজনৈতিক প্রভাব থেকে নিজেদের রক্ষা করতে নাগরিকদের মধ্যে সমালোচনামূলক চিন্তার সক্ষমতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত সবাইকে রাজনৈতিকভাবে দলীয় বা পক্ষপাতদুষ্ট করে তোলা নয়। বরং এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে মানুষ জনস্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করবে, নিজেদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানবে, ভিন্নমতকে সম্মান করবে এবং ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় রাখবে।
পরিশেষে উল্লেখ করতে চাই, রাজনৈতিক উদাসীনতা আপাতদৃষ্টিতে ক্ষতিকর মনে নাও হতে পারে। কারণ এটি সংঘাতের পরিবর্তে নীরবতা ও সরে দাঁড়ানোর মাধ্যমে প্রকাশ পায়। কিন্তু এই নীরবতার পরিণতি অত্যন্ত গভীর হতে পারে।
নাগরিকরা যখন দেশের শাসনব্যবস্থা কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, সে বিষয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন, তখন তাদের অনুপস্থিতিতে এমন শক্তি জায়গা করে নিতে পারে, যারা পর্যাপ্ত জবাবদিহি ছাড়াই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে চায়।
শুধু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেই গণতন্ত্র টিকে থাকে না। গণতন্ত্র টিকে থাকে তখনই, যখন নাগরিকরা সচেতন, সক্রিয় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় দৃঢ় থাকে।
তাই আমাদের প্রকৃত চ্যালেঞ্জ শুধু রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ানো নয় বরং দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব, সমালোচনামূলক চিন্তা, সহনশীলতা, জবাবদিহি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি শ্রদ্ধার সংস্কৃতি গড়ে তোলা।
শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্র শুধু এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয় যে কে আমাদের শাসন করবে। গণতন্ত্রের প্রকৃত অর্থ হলো,
যারা জনগণের শাসনভার গ্রহণ করবেন, তারা যেন সবসময় জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকেন।
আবু মোরশেদ চৌধুরী
সভাপতি, কক্সবাজার সিভিল সোসাইটি।
