নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের ১৮ তম ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে সিবিআইইউ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. জসিম উদ্দীন।

তিনি বলেন, জীবনে উন্নতি করতে কিংবদন্তি লোকদের অনুসরণ করতে হবে। কারো অধিকার ক্ষুন্ন হয় এমন কাজ করা যাবে না। জীবনের পরতে পরতে শিক্ষকদের নির্দেশনা অনুসরণ করে চলতে হবে।

বিশ্বিবদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর কাজী মোস্তাইন বিল্লাহর সভাপতিত্বে বিদায় সংবর্ধনায় প্রধান অতিথি আরো বলেন, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বৃহত্তর চট্টগ্রামবাসীর জন্য বিরাট সম্পদ। ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন পূরণে এই বিশ্ববিদ্যালয় মাইলফলক ভূমিকা রাখছে।

১৮ তম ব্যাচের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন সিবিআইইউ প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘তোমরা আমাদের সম্পদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব। তোমাদের কারণেই বিশ্ববিদ্যালয় সুনাম বাড়বে। বদনাম হয় এমন কোন কাজে নিজেকে জড়াবে না। কালো গাউন পরে যখন তোমরা আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াও তখন আমাদের মনটা ভরে যায়।’

লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান আরো বলেন, ‘২০১৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলেও স্বৈরাচার সরকারের চিহ্নিত কয়েকজন লোকের নগ্ন থাবায় স্বপ্নযাত্রা বাধাগ্রস্থ হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে সঠিক মালিকানা ফিরে পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা নতুন পরিকল্পনায় এগিয়ে যাচ্ছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাস স্থাপন, নতুন ভিসি নিয়োগসহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের পথে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান।

বিদায় সংবর্ধনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কউক চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী ডাক্তার আসমা চৌধুরী। তিনি সিবিআইইউ প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমানকে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. জসিম উদ্দীনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান গোলাম মওলা।

অনুষ্ঠান ১৮ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের হাতে বিদায়ী স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। শেষে কেক কেটে বিদায়ের স্মৃতির দিনটি উদযাপন করা হয়।

এ সময় রেজিস্ট্রার রাজিদুল হক, ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. খোরশেদ আলী, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি বিভাগের চেয়ারম্যান মলয় সরকার, প্রক্টর মোহাম্মদ বদিউল আলম, সহকারী পরিচালক (পিআর এন্ড মিডিয়া) ইমাম খাইর, সহকারী রেজিস্ট্রার সেলিম জাহাঙ্গীরসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।