ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইসমাইল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ ফেলে যাওয়ার ঘটনায় বাসচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র্যাব।
শনিবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
তারা হলেন ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী বাসের চালক সোহেল রানা (৪০), সহকারী মনির (১৮) ও সুপারভাইজার সাজু (২৮)। তাদের মধ্যে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১।
র্যাব-১-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডার থেকে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
তার নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে।
র্যাব জানায়, ইসমাইল জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন। পথে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
পরে তার মুখে স্কচটেপ পেঁচিয়ে মরদেহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-১ ছায়াতদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রধান সন্দেহভাজন বাসচালক সোহেল রানার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে মহাখালী এলাকার ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে বাসের সুপারভাইজার সাজু ও সহকারী মনিরকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘রাজ ক্লাসিক’ বাসটি জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বনানী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিস্তারিত জানাতে আজ (রবিবার) সংবাদ সম্মেলন করবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবেন।
