নিজস্ব প্রতিবেদক;
চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক এক ব্যক্তিকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে পুলিশের গাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়লে অন্তত চারজন আহত হন। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত হয়েছেন দুই সাংবাদিকও।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার আবু জাফর রোডে এ ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ জনতা সড়কে অবস্থান নিয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে রাখেন।
আহত সাংবাদিকরা হলেন—মামুন আবদুল্লাহ ও নোবেল হাসান। ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফেসবুক লাইভ চলাকালে পুলিশের ছোড়া গুলিতে মামুনের কোমরে এবং নোবেলের হাত ও পায়ে আঘাত লাগে।
পরে তাদের প্রথমে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার একটি ডেকোরেশন দোকানের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে চার বছরের এক শিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে। তবে তাকে থানায় নেওয়ার পথে উত্তেজিত জনতা পুলিশের গাড়ি আটকে দেয় এবং অভিযুক্তকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে বলে অভিযোগ ওঠে।
এ বিষয়ে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করেছে। শিশুটিকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে আটক ব্যক্তিকে থানায় নেওয়ার সময় স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করে। পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চলছে।”
