ডেস্ক নিউজ
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে মাদক ব্যবসা, মানবপাচার ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে হ্নীলার মোহাম্মদ আলম শাহিনের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রভাব হিসেবে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার সহযোগীরা এলাকায় নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছেন।
সম্প্রতি হ্নীলার স্লুইসপাড়া এলাকায় এক রোহিঙ্গা নাগরিককে ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন শাহীন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই রোহিঙ্গাকে নিয়ে যাওয়ার সময় মোহাম্মদ শফিক নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বিষয়টি জানতে চাইলে তাকে পরদিন ওই রোহিঙ্গাকে মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে এ ঘটনার জেরে মোহাম্মদ শফিককে মোহাম্মদ আলম শাহিন ও তার ভাই মোহাম্মদ আমিন ওরফে ‘গুরা’ মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের দাবি, হ্নীলা ইউনিয়নের পুরাতন বাজার এলাকার বাসিন্দা রবিউল আলমের ছেলে মোহাম্মদ আলম শাহিন দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা কারবার, মানবপাচার ও অস্ত্র ব্যবসাসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অতীতেও এসব কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার বিরোধ ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল বলে তারা জানান। এসব ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন সময় স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বলেও দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব অভিযোগের পরও এলাকায় তার প্রভাব কমেনি। বরং সাম্প্রতিক সময়ে মাদক কারবার ও মানবপাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে তার বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ উঠছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন বাসিন্দা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সরকারি দলের রাজনৈতিক পরিচয় ও স্থানীয় প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকায় নিজের প্রভাব বিস্তার করছেন।
জনমনে প্রশ্ন, একের পর এক অভিযোগ ওঠার পরও এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?
