মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :
রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তাদের রাষ্ট্রের পক্ষে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। যাতে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায় বিচার নিশ্চিত হয়, অপরাধীরা শাস্তি পায় এবং রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কক্সবাজার জেলায় বিভিন্ন আদালতে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত পিপি, এডিশনাল পিপি ও সহকারী পিপি-দের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না একথা বলেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: আ: মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার আ, ন, ম সাজিদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনিম জাহান, পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউনুছ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাওহীদুল আনোয়ার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এমপি শামীম আরা স্বপ্না বলেন, এ সরকারের কাছে জনগনের প্রত্যাশা অনেক বেশি। বিচারপ্রার্থীরা যাতে কোনভাবে হেনেস্তার শিকার না হয়, সেদিকে আইন কর্মকর্তাদের সজাগ থাকতে হবে। আইন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ বা অপ্রীতিকর বিষয় কোনভাবেই বরদাশত করা হবেনা। আদালতে আসা সাক্ষীদের ফেরত দেওয়া যাবেন। “সবার আগে বাংলাদেশ” শ্লোগানকে মাথায় রেখে আইন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে কক্সবাজারের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: আ: মান্নান বলেন, মানুষের প্রতি সরকারের কমিন্টমেন্ট অনেক বেশি। এ কমিন্টমেন্ট রক্ষায় আইন কর্মকর্তাদের সহায়ক ভূমিকা রাখতে হবে।
পুলিশ সুপার আ, ন, ম সাজিদুর রহমান বলেন, কক্সবাজারের আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা মোটেই সহজ কাজ নয়। তিনি এ বিষয়ে সবার গঠনমূলক সহযোগিতা চান।
মতবিনিময় সভায়, আইন কর্মকর্তারা মামলার আলামত সংরক্ষণে মালখানায় জায়গার অভাব, অবকাঠামোগত সংকট, প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্টের অভাব, আদালতে জনবলের অপ্রতুলতা, মামলা তদন্তে দীর্ঘসুত্রিতা, আদালতে সাক্ষী হাজির করাতে পর্যাপ্ত পুলিশ সাপোর্টের অভাব সহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় আইন কর্মকর্তাদের মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর পিপি অ্যাডভোকেট মীর মোশাররফ হোসেন টিটু এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর পিপি অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম, শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট ছলিমুল মোস্তফা, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট একেএম আতাউল হক, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী, অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ, অ্যাডভোকেট আবদুর রশিদ, অ্যাডভোকেট মঈনুল আমিন, অ্যাডভোকেট আমান উল্লাহ আনসারী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসমাইল, অ্যাডভোকেট মনির উদ্দিন, অ্যাডভোকেট জাবেদুল আনোয়ার, অ্যাডভোকেট নাজেম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, অ্যাডভোকেট নুরু রশিদ, অ্যাডভোকেট মহি উদ্দিন, অ্যাডভোকেট শেফাউল করিম রানা, অ্যাডভোকেট সম্যক দৃষ্টি বড়ুয়া এসডি বাবু ও অ্যাডভোকেট আয়াত উল্লাহ হোমেনী, সহকারী পিপি অ্যাডভোকেট ইফতেখার মাহমুদ, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, অ্যাডভোকেট শাহা আলম, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মনজুর আলম, অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক, অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির চৌধুরী, অ্যাডভোকেট রবিউল আরাফাত, অ্যাডভোকেট আরিফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ খোরশেদ আলম চৌধুরী ভুলু, অ্যাডভোকেট আনিসুল কবির, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির দুলাল, অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, অ্যাডভোকেট এস.এম রিদোয়ান সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মো: সাজিদ আবেদীন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহীন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফয়সাল, অ্যাডভোকেট এস.এম ইমরুল শরীফ, অ্যাডভোকেট শাহ নেওয়াজ উদ্দিন রানা, অ্যাডভোকেট শওকত ওসমান, অ্যাডভোকেট নছর উল্লাহ, অ্যাডভোকেট গোলাম সরওয়ার ও অ্যাডভোকেট শাহরিয়ার ফয়সাল উপস্থিত ছিলেন।
