এম. এ. আজিজ রাসেল;

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেছেন, স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের রাতে বিনা কারণে বাইরে পাওয়া গেলে গ্রেপ্তার করা হবে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও সামাজিক অপরাধ দমন’ শীর্ষক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এলাকায় কেউ অপরাধে জড়িত হলে সেটি শুধু তাঁর একার দায় নয়; এর দায় সমাজের সবার। পরিবার, প্রতিবেশী ও সমাজপতিদের ছাত্র-যুবকদের খোঁজখবর রাখতে হবে। আশপাশে কোথাও যৌতুকের জন্য নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে প্রতিবাদ জানাতে হবে। মনে রাখতে হবে, উন্নয়ন বলতে শুধু ইট-পাথর ও দালানকোঠার উন্নয়ন নয়, মানসিকতারও উন্নয়ন ঘটাতে হবে। অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

পুলিশ সুপার এ. এন. এম. সাজেদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মাবুদ, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান ও জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, কক্সবাজার শহর একটি ব্যতিক্রমী শহর। এখানে বহুমাত্রিক অপরাধ সংঘটিত হয়। জেলা পুলিশ সম্প্রতি অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে পুলিশের পাশাপাশি সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।