অতীতের ভুল-ত্রুটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে দেশবাসীর সমর্থন চেয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পরিকল্পনা সাজিয়েছি। বর্তমান প্রজন্মের সামাজিক-অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক অধিকার পুনর্বহাল এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই চূড়ান্ত করা হয়েছে বিএনপির সব পরিকল্পনা। বিশেষ করে দেশের সব তরুণ-তরুণী, বেকার জনগোষ্ঠী ও নারীদের জন্য দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান এবং কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাই এবার বিএনপির প্রথম এবং প্রধান অগ্রধিকার। এ ছাড়া দেশে পুনরায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, দেশবাসীর কাছে এটা আমার অঙ্গীকার।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তারেক রহমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আমি এই স্বল্প সময়ে যতটুকু সম্ভব আপনাদের কাছে ছুটে গিয়েছি। আমি আপনাদের ভালোবাসা পেয়েছি। বিএনপির প্রতি আপনাদের আবেগ এবং ভালোবাসা উপলব্ধি করেছি। ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপির প্রতি আবারও আপনাদের ভালোবাসা প্রকাশের দিন। অতীতে আপনাদের সমর্থনে বিএনপি একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে। দেশ পরিচালনা করতে গিয়ে সেই সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে হয়তো আমাদের অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুল-ত্রুটি হয়েছে। সেজন্য আমি দেশবাসীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে অর্জনগুলোকে অবলম্বন করে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনের জন্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে আবারও আমি আপনাদের সমর্থন চাই।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমি দেশ এবং জনগণের জন্য, আপনার এবং আপনার পরিবারের সদস্যের জন্য যেসব পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি, প্রতিটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে আপনাদের সমর্থন এবং ভোট চাই।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের কাছে রাষ্ট্র ও সরকারকে দায়বদ্ধ রাখার কোনোই বিকল্প নেই। রাষ্ট্র পরিচালনায় আপনাদের সমর্থন পেলে দেশের আগামী দিনের সরকার হবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। দেশে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে যতটা কঠোর হওয়া যায়, বিএনপি সরকার ইনশাআল্লাহ ততটাই কঠোর হবে। দেশে পুনরায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। দেশবাসীর কাছে এটি আমার ও বিএনপির অঙ্গীকার। আপনাদের কাছে আমার অঙ্গীকারের কারণ আপনারাই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।’
২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ আমলে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি তথাকথিত ডামি নির্বাচনে আমি আপনাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছিলাম, ৭ জানুয়ারি সারাদিন পরিবারকে সময় দিন। বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনে এবার দেশবাসীর প্রতি আমার আহ্বান, আপনাদের প্রতি আমার বিনীত আবেদন, ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন। তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষের জন্য হোক।’
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান রেখে তারেক রহমান বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা ধানের শীষের প্রার্থীদের দায়িত্ব নিন। ১৩ তারিখ থেকে আপনাদের নির্বাচিত এমপিরা আপনাদের দায়িত্ব নেবেন। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আপনাদের দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করছে কি না, সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমি নেব ইনশাআল্লাহ।’
তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি যদি আপনাদের সমর্থন পায়, তাহলে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপির মূলমন্ত্র থাকবে মহানবীর মহান আদর্শ, ন্যায়পরায়ণতা। ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের বাংলাদেশে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই দিনে আমি আল্লাহর দরবারে ধানের শীষের বিজয় কামনা করছি।’
৩৭ মিনিটের বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারম্যান দেশ পরিচালনায় জনগণের জন্য কী করতে চান, কীভাবে তার প্রণীত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন, তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্র ও সরকারে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন। বেগম খালেদা জিয়া জনগণের চূড়ান্ত বিজয় দেখে যেতে পারেননি। সারা দেশের সকল ছাত্র, জনতা, কৃষক, শ্রমিক, রিকশাচালক, গার্মেন্টস কর্মী, ফুটপাতের হকার থেকে শুরু করে শিক্ষক, সাংবাদিক, শিল্পী, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী-শ্রমজীবী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী কিংবা শিল্প উদ্যোক্তা এবং দেশের সব মা-বোনের কাছে আমার বিনীত আবেদন, আপনারা যারা জিয়াউর রহমানকে ভালোবাসেন, বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসেন, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে ভালোবাসেন, তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করুন। ধানের শীষের বিজয়ের অর্থ বাংলাদেশের বিজয়। ধানের শীষের বিজয়ের অর্থ স্বাধীন-সার্বভৌম তাঁবেদারমুক্ত বাংলাদেশ।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শহীদ জিয়া আর বেগম খালেদা জিয়ার সাফল্যের যাত্রা অব্যাহত রাখতে আমি আমার দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপির রাজনৈতিক-সামাজিক-অর্থনৈতিক কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘদিন থেকে হাতে-কলমে প্রস্তুতি নিয়েছি। ২০০১ সালে যখন আপনাদের সমর্থনে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছিল, আমি তখন বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে সারাদেশে প্রতিটি জেলা-উপজেলা, গ্রাম-নগর-বন্দরে ঘুরেছি। আপনাদের স্থানীয় সমস্যাগুলো-সম্ভাবনাগুলো জানার ও বোঝার চেষ্টা করেছি। পরিস্থিতির কারণে বিদেশে থাকতে বাধ্য হলেও হৃদয়-মন-সত্তাজুড়ে ছিল বাংলাদেশ, বাংলাদেশের জনগণ। আমি তাই বিদেশে অবস্থানকালীন সময়েও দেশের প্রতিটি এলাকায় আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করেছি।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি এমন একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠন করতে চায়, যেখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী, পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী প্রত্যেক নাগরিক নিরাপদ থাকবে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কে কোন ধর্মের, এটি কোনো জিজ্ঞাসা ছিল না। ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধেও কে কোন ধর্মের, কার কী ধর্মীয় পরিচয়—এটি কোনো জিজ্ঞাসা ছিল না। আমরা মনে করি, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। প্রতিটি ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস এবং রীতি অনুযায়ী যার যার ধর্ম পালন করবেন। এটি একটি আধুনিক সভ্য সমাজের রীতি।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘সকল নাগরিকের শান্তি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। দেশের গত ৫৫ বছরের ইতিহাসে এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে যে, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ তাদের স্বাধীনতা হরণকারী, স্বৈরাচার, ধর্মীয় চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদ কোনোটিকেই পছন্দ করে না। নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংস্কৃতি বজায় রেখেই যাতে আমরা সবাই মিলেমিশে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে পারি; এ লক্ষ্যেই স্বাধীনতার ঘোষকের যুগান্তকারী রাজনৈতিক দর্শন ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে এই বাংলাদেশ আমাদের সবার। আমরা সবাই বাংলাদেশি।’
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের জনগণের সমর্থনে বিএনপি অতীতে বহুবার রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে দেশকে স্বনির্ভর বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। বাংলাদেশের স্বার্থের পক্ষে থাকার কারণেই তাকে শাহাদাতবরণ করতে হয়েছে। আমার মা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া, যাকে বাংলাদেশের জনগণ অর্থাৎ আপনারাই দেশনেত্রী উপাধি দিয়েছিলেন, তিনি কখনোই আপনাদের সম্মানের অমর্যাদা করেননি। জীবনের শেষ বয়সে এসেও তিনি জেল-জুলুম বরণ করেছেন; কিন্তু বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে আপস করেননি। সন্তান হিসেবে আমি জানি, তার কাছে অনেক প্রস্তাব এসেছিল। তিনি চাইলেই সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে জেল-জুলুম এড়িয়ে বিদেশে চলে যেতে পারতেন। কিন্তু তার হৃদয় জুড়েছিল বাংলাদেশ। দেশের স্বাধীনতাপ্রিয়, গণতন্ত্রকামী জনগণের বিশ্বাস ছিল, খালেদা জিয়া জালিমের কারাগারে থাকলেও তিনি তাবেদার অপশক্তির ভয়ের কারণ।’
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘খালেদা জিয়াও জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার মর্যাদা দিয়েছিলেন। তিনি দেশেই থেকেছিলেন শেষদিন পর্যন্ত। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে বেগম খালেদা জিয়া ফের গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চেয়েছিলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী জনগণের সামনে খালেদা জিয়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণের সেই সময় উপস্থিত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্র এবং সরকার প্রতিষ্ঠার দিন।’
তারেক রহমান বলেন, ‘পতিত, পরাজিত ও বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী অপশক্তি দেশের সব সাংবিধানিক এবং বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর করে দিয়েছিল। প্রশাসনকে চূড়ান্ত রকমের দলীয়করণ করে ফেলেছিল। প্রশাসন পরিচালনায় বিএনপির নীতি হবে—প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান চলবে সাংবিধানিক নিয়মে। প্রশাসনকে দলীয়করণ নয়, প্রশাসনের নিয়ম কিংবা পদোন্নতি হবে মেধা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে। জনপ্রশাসন সঠিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে না পারলে আমাদের কোনো উদ্যোগই সুফল মিলবে না। আমরা এরই মধ্যে জনগণের সামনে উপস্থাপিত আমাদের দলিল-ইশতেহারে বলেছি, জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে সরকারি কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের জন্য যথাসময়ে জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা এবং বাস্তবায়ন করা হবে।’
ভাষণে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, বেকারদের কর্মসংস্থান, বেকার ভাতা চালু, সংবিধানে সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনঃস্থাপন, প্রবাসী কার্ড, চাকরির জন্য বিদেশে যেতে অর্থনৈতিক সংকট দূর করতে ঋণ সুবিধা প্রদান প্রভৃতি বিষয়ে দলের ইশতেহারে যেসব প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করা হয়েছে, তাও তুলে ধরেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ মুসলমান। মহান আল্লাহর দরবারে আমাদের সবার একটাই প্রার্থনা—রাব্বানা আতিনা ফিদ-দুনইয়া হাসানাতাওঁ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাওঁ, ওয়াকিনা আজাবান্নার। হে আল্লাহ আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দাও, আখেরাতে কল্যাণ দাও, দোজখের আগুন থেকে বাঁচাও। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সংবিধানে সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপরে পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস এই কথাটি সন্নিবেশিত করেছিলেন। কিন্তু তাঁবেদার সরকার সংবিধান থেকে এই কথাটি বাদ দিয়েছে। আল্লাহর রহমতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের রায়ে বিএনপি ফের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস—এ কথাটি সংবিধানে ফের সন্নিবেশিত করা হবে ইনশাআল্লাহ।’
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আমাদের এই ধর্মীয় বিশ্বাস এবং মূল্যবোধের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় সামাজিক-রাজনৈতিক আগ্রাসন চালানোর অপচেষ্টা হয়েছিল। অপরদিকে দেশবরেণ্য অনেক আলেম-ওলামা সোচ্চার কণ্ঠে বলেছেন যে, কেউ কেউ স্রেফ দলীয় স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মের অপব্যাখ্যা করে বিশ্বাসী মুসলমানদের বিভ্রান্ত করারও অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সুতরাং সকল বিশ্বাসীর প্রতি আহ্বান, কেউ যেন বিশ্বাসী মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সে ব্যাপারে আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।’
