সংবাদদাতা:
টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপে একটি রেস্টুরেন্ট থেকে বারবার মূল্যবান মালামাল চুরির অভিযোগে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগকারী মো. হাসান (৬৫) সেন্টমার্টিনের পশ্চিম পাড়ায় অবস্থিত কেয়ারী মরজান রেস্টুরেন্টের কেয়ারটেকার। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত ইব্রাহীম, আলমগীর ও বিপ্লব দীর্ঘদিন ধরে রেস্টুরেন্টের বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল চুরি করে আসছেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল আজহার দুই দিন আগে অভিযুক্তরা রেস্টুরেন্ট থেকে তিনটি বড় থাই গ্লাস চুরি করে নিয়ে যায়। পরে গত ১০ জুলাই ২০২৬ রাত সাড়ে ৮টার দিকে তারা আরও চারটি বড় থাই গ্লাস চুরি করে মুফিজ আলম ও মো. ইলিয়াছের কাছে বিক্রি করার কথা উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে স্বীকার করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া এর আগেও রেস্টুরেন্টের লোহার ফ্রেম, থাই গ্লাস, বৈদ্যুতিক তার, কমোড ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল চুরি করে একই ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। এ সংক্রান্ত প্রাথমিক প্রমাণ তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত মুফিজ আলম ও মো. ইলিয়াছ জেনেশুনে চোরাই মালামাল ক্রয় ও নিজেদের হেফাজতে রেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা অভিযোগকারীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, মারধরের চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এ ঘটনায় নাছির উদ্দিন, মো. আমিন ও মো. আয়াজকে সাক্ষী করা হয়েছে।
অভিযোগকারী মো. হাসান চুরিকৃত মালামাল উদ্ধার, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সেন্টমার্টিন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
