নিজস্ব প্রতিবেদক:

সম্প্রতি প্রবল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঈদগাঁও ও ঈদগড় এলাকার নদীভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল। এ সময় তিনি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করার আশ্বাস দেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ১০টায় তিনি ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভোমরিয়ারঘোনা এলাকার ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সিসি ব্লকের মাধ্যমে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের আশ্বাস দেন।

লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, “কক্সবাজারের বহু এলাকা দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের শিকার হলেও এখনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। সামনে একনেক সভায় নদীভাঙন রোধে বড় ধরনের বরাদ্দ পাওয়ার আশা করছি। বরাদ্দ পাওয়া গেলে ভাঙনকবলিত এলাকা চিহ্নিত করে টেকসই ও স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে।”

এ সময় স্থানীয়রা শুধু ত্রাণ নয়, নদী খনন ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও দাবি জানান।

পরে তিনি ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং ভবিষ্যতেও দুর্গত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

একই দিন তিনি ঈদগড় আমির মোহাম্মদ বদি উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, গর্জনিয়া আদর্শ শিক্ষা নিকেতন এবং কচ্ছপিয়া গর্জনিয়া ফয়জুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে ৯ হাজার ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করেন।

এ সময় এমপি কাজল বলেন, “পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।”

তিনি জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমে কক্সবাজার সদর, রামু ও ঈদগাঁও উপজেলায় মোট ১০ লাখ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হবে। ইতোমধ্যে গত তিন দিনে রামু উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫০ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতেও গাছের চারা বিতরণ করা হবে।