মো. আরাফাত সানি, টেকনাফ:
পেকুয়ার আলোচিত হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১নং আসামি মোহাম্মদ সিফাত(২৬)কে টেকনাফ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫ ও র্যাব-৭।
১০ সেপ্টেম্বর রাতে র্যাবের যৌথ আভিযানিক দলটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ মডেল থানাধীন মহেশখালীয়া পাড়া বটতলী বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
বিষয়টি নিশ্চত করেছেন র্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক
তিনি জানান, পেকুয়া থানাধীন এলাকার মালয়েশিয়া প্রবাসীর ঘরের দরজা খোলার একটি পূর্ববর্তী ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসামি মোহাম্মদ সিফাত ও তার সহযোগীরা বাদীর পরিবারের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। এর জের ধরে গত ২৬ জুন ১নং আসামি মোহাম্মদ সিফাত, ২নং আসামি নাজেম উদ্দিন ও ৩নং আসামি মোহাম্মদ বাহাদুরসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাদীর বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। আসামিরা ধারালো কিরিছ, লোহার হাতুড়ি ও লোহা দিয়ে বাদীর পিতা এবং বাদীর ওপর উপর্যুপরি আক্রমণ করে মারাত্মক জখম করে। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় জখমী পিতা ও পুত্রকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাদীর পিতাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পেকুয়া থানায় গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে প্রধান আসামি মোহাম্মদ সিফাত গ্রেপ্তার এড়াতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আসছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ কোম্পানি) এবং র্যাব-৭, চট্টগ্রাম-এর একটি যৌথ দল গত (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে টেকনাফ মডেল থানাধীন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মহেশখালীয়া পাড়া বটতলী বাজার ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় ১নং আসামি মোহাম্মদ সিফাত (২৬)’কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
