সিবিএন ডেস্ক;

কক্সবাজারের উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গলায় ফাঁস দেওয়া এক কিশোর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন।

নিহত আতাউর রহমান (১৫) উখিয়ার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২/ইস্টের ব্লক-ডি/৮ এলাকার বাসিন্দা ফরিদ আলমের ছেলে।

এর আগে, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে একই ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, আতাউর রহমান ক্যাম্পে তাদের চায়ের দোকানে বাবার সঙ্গে কাজ করত। শুক্রবার বিকেলে তার বাবা দোকানের বাইরে থাকাকালে সে ভেতরে ছিল। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তার ছোট ভাই দোকানের পেছনের কক্ষে গিয়ে তাকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখে।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে এনজিও পরিচালিত বিডিআরসি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) না থাকায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।

পরবর্তীতে আইসিইউ শয্যা না পাওয়ায় শনিবার ভোরে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের ধারণা, পড়াশোনা নিয়ে মায়ের বকাঝকার কারণে অভিমান করে আতাউর রহমান আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, গলায় ফাঁস দিয়ে এক রোহিঙ্গা কিশোর আত্মহত্যা করেছেন।