সিবিএন ডেস্ক:
কক্সবাজারের টেকনাফে এক বিধবা নারীর বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টাকালে স্থানীয় জনতার হাতে এক সন্দেহভাজন ডাকাত সদস্য গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।
বুধবার (৮ এপ্রিল ২০২৬) রাত প্রায় ৮টার দিকে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর উত্তর শিলখালী এলাকার মৃত কলিম উল্লাহর বসতবাড়িতে আরও দুই সহযোগীসহ একদল দুষ্কৃতকারী প্রবেশ করে। তারা গৃহকর্তার স্ত্রী খুরশিদা আক্তার (৪২)-এর গলায় ছুরি ধরে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে একজনকে আটক করে। তবে তার সহযোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
আটক ব্যক্তি নুরুল আমিন (৩৫), যিনি স্থানীয়ভাবে ‘কালা বদা’ নামে পরিচিত এবং একই এলাকার বাসিন্দা। আটক হওয়ার পর ক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতার কাছ থেকে নুরুল আমিনকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় এবং পরে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ, পুলিশ পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি কাঠের হাতলযুক্ত লোহার ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে একাধিক অপহরণ মামলা রয়েছে এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাহারছড়া ও হ্নীলা এলাকার মধ্যবর্তী পাহাড়ে অবস্থান করে অপহরণ ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিলেন।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
