নাছির উদ্দিন সোহেল, সিবিএন;
টানা বর্ষণ ও অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অসহায় ও দুর্গত মানুষের মাঝে জরুরি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, কক্সবাজার ইউনিট।
শুক্রবার (১০ জুলাই) মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজিত এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, কক্সবাজার ইউনিটের চেয়ারম্যান এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, কক্সবাজার ইউনিটের ইউনিট লেভেল অফিসার নাসরিন আক্তার এবং কক্সবাজার জেলা ইউনিট ও পেকুয়া উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, কক্সবাজার ইউনিটের চেয়ারম্যান এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী বলেন, টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বহু পরিবার মানবিক সংকটে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি শুরু থেকেই মাঠপর্যায়ে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় পেকুয়ার বিভিন্ন এলাকায় জরুরি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম বলেন, টানা ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির এ মানবিক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। দুর্যোগ মোকাবিলায় সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উপজেলা প্রশাসনও সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, কক্সবাজার ইউনিটের ইউনিট লেভেল অফিসার নাসরিন আক্তার বলেন, মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোই বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মূল লক্ষ্য। জরুরি খাদ্যসামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য মানবিক সহায়তাও পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। আমাদের প্রশিক্ষিত যুব রেড ক্রিসেন্ট স্বেচ্ছাসেবকেরা মাঠপর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, কক্সবাজার ইউনিট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে ধারাবাহিকভাবে জরুরি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী এ সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
