এম. মনছুর আলম ও মো. ফারুক :
কক্সবাজার সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার দুপুরে চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
দুপুর প্রায় ১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সাফারি পার্কে পৌঁছে একটি চারা রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে তিনি পার্কের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পর্যটন উন্নয়নসংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শন শেষে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এ সময় পার্কের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং এক পথসভায় বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
সাফারি পার্কের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী পেকুয়ায় গিয়ে জুলাই আন্দোলনের শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করবেন। পরে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন। দীর্ঘদিনের জনদাবি বাস্তবায়নের পথে এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। এছাড়া তিনি পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন।
দিনব্যাপী সফরের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৪টায় চকরিয়ায় আয়োজিত এক জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। জনসভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই চকরিয়া ও পেকুয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমাগম ঘটে। সভাস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে চকরিয়া ও পেকুয়াজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। স্থানীয়দের আশা, এ সফরের মাধ্যমে এলাকার দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত ও উন্নয়নমূলক দাবিগুলোর বাস্তবায়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
