পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়ন পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। টুর্নামেন্টে ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
টুর্নামেন্টের বালক গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে রাজাখালী জিসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বালিকা গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর ৩টায় অনুষ্ঠিত বালিকা গ্রুপের ফাইনাল ম্যাচে রাজাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রাজাখালী ফাতেমা খাতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মুখোমুখি হয়। নির্ধারিত সময়ের খেলায় উভয় দলই একাধিক আক্রমণ করলেও গোলের দেখা পায়নি। ফলে ম্যাচের নিষ্পত্তি গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে স্নায়ুচাপ সামলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় রাজাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এর পরে বালক গ্রুপের ফাইনালে মুখোমুখি হয় রাজাখালী জিসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জামাল মেহের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নির্ধারিত সময়ে দুই দলই ১-১ গোলে সমতায় থাকায় ম্যাচের ফল নির্ধারণে টাইব্রেকারের আশ্রয় নিতে হয়। টাইব্রেকারে রাজাখালী জিসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে শিরোপা নিশ্চিত করে।
খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজাখালী এয়ার আলী খান আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম (বিএসসি)। প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুইছুড়ি ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোশাররফ হোছাইন।
এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আবু জাফর (এমএ), রাজাখালী এয়ার আলী খান আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহেদ উল্লাহ এবং আলভী মনোয়ারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা আলী জাফর সাদেক।
রাজাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন আজাদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, শিশুদের খেলাধুলায় আগ্রহ বৃদ্ধি, শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং দলগত চেতনা গড়ে তুলতেই এ ধরনের টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং এখান থেকেই ভবিষ্যতের প্রতিভাবান ফুটবলার তৈরি হবে।
