সিবিএন ডেস্ক:
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ–এর নির্দেশে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত–এ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে সৈকতে অভিযান পরিচালনা করে অর্ধশতাধিক দোকান উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মনজু বিন আফনান।
তিনি বলেন, সৈকতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পরপরই জেলা প্রশাসন কাজ শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে বালুচরে ঝিনুক, শামুক, ফুচকা, ঝালমুড়ি ও চটপটির দোকানসহ নানা ধরনের ভাসমান অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল। এসব ভাসমান স্থাপনা এবং বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনার কারণে সৈকতের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছিল। এ কারণে সচেতন মহল দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
গত সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত–এর অবৈধ স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কক্সবাজার শহর সংলগ্ন সৈকত থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত সমুদ্রসৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।
