জাহেদুল ইসলাম, লোহাগাড়া:
লোহাগাড়ায় ২২ বছর বয়সী কক্সবাজারের রামুর এক তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ফারাঙ্গা এলাকার হারিছ মিয়া (৩৯), মো. এহছান (২৬) এবং সড়াইয়া এয়াছিনপাড়া এলাকার মো. নজরুল ইসলাম (২০)। তাঁদের মধ্যে হারিছ মিয়া ও এহছান মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ছয় মাস আগে মোবাইল ফোনে ভুল নম্বরে যোগাযোগের মাধ্যমে ওই তরুণীর সঙ্গে এহছানের পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এহছান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে লোহাগাড়ায় নিয়ে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, শনিবার (২৪ অক্টোবর) কক্সবাজারের রামু থেকে রওনা হয়ে রাত ১১টার দিকে কেরানীহাটে পৌঁছান ওই তরুণী। সেখান থেকে এহছান তাঁকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের ফারাঙ্গা এলাকার ইলিয়াস চৌধুরীর বাগানে নিয়ে যান।
মামলার বিবরণে আরও উল্লেখ করা হয়, বাগানের ভেতরে তমিজ নামের এক ব্যক্তির থাকার জন্য নির্মিত টিনের ছাউনিযুক্ত মাটির ঘরে তরুণীকে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে হারিছ মিয়া ও এহছান ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ২৪ অক্টোবর রাত ১টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে।
লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রশান্ত কুমার ভৌমিক জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
