ঘুমধুম প্রতিনিধি:
পার্বত্য জেলা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ঘুমধুম তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছে যাচ্ছে সিমেন্ট। শূন্যলাইন এলাকার কিছু মানুষ কাঁধে করে সাদা রঙেন বস্তা নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদকর্মী মাহমুদুল হাসান নিজের ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ঘুমধুমের তুমব্রু সীমান্তে সিমেন্ট পাচার রোধে কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
তুমব্রু এলাকায় নতুন কৌশল অবলম্বন করে কিছু স্থানীয় যুবক মিয়ানমারে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের কাছে সিমেন্ট পৌঁছে দিচ্ছে।
সিমেন্ট পাচার ও পরিবহনের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সিমেন্ট ক্রয়, পরিবহন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই বাছাই এবং সুনির্দিষ্ট হিসাব সংরক্ষণের ব্যবস্থা চালু করা হলে, আশা করা যায়, সিমেন্ট পাচারের প্রবণতা অনেকাংশে কমে আসবে।
তার কিছুক্ষণের মধ্যে ছবিটি গ্লোবাল টেলিভিশনের বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম নিজের ফেসবুকে পোস্ট করে লিখেন, ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তে নিত্যপণ্য পাচার, বাড়ছে উদ্বেগ!
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু, ঘুমধুম, বাইশফাঁড়ি সহ বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রতিদিন সার, সিমেন্ট, খাদ্যদ্রব্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মিয়ানমারে পাচারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি চক্র নতুন কৌশলে এসব পণ্য সীমান্তের ওপারে পৌঁছে দিচ্ছে। এর ফলে একদিকে দেশের বাজারে সংকটের আশঙ্কা, অন্যদিকে সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এই পাচার রোধে প্রয়োজন —পণ্য পরিবহনের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও হিসাব সংরক্ষণ। সরবরাহ ও পরিবহনে কঠোর যাচাই-বাছাই জবাবদিহি নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও বিজিবির কঠোর নজরদারি এখন সময়ের দাবি।
এ সময় তাদের ফেসবুক পোস্টের কমেন্ট পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, তুমব্রু এলাকার বাঁশবাগান পাড়ার মসজিদের নাম ব্যবহার সিমেন্টগুলো নিয়ে আসেন একটি চক্র, পরবর্তীতে সিমেন্ট গুলো মসজিদে ব্যবহার না করে মিয়ানমারে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর কাছে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে আরও জানা যায়, বিদ্রোহী গোষ্ঠীরা এসব সিমেন্ট দিয়ে সীমান্ত এলাকায় শক্তিশালী বাঙ্কার তৈরি করছেন, স্থানীয়রা আরো জানাই, যে-সমস্ত চক্র বাংলাদেশ থেকে সিমেন্ট এবং দৈনন্দিন খাদ্যপূর্ণ মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের কাছে পাচার করছেন, তাদেরকে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় না আনলে, সীমান্ত এলাকার বাজারগুলোতে যেমন খাদ্য সংকট তৈরি হবে, পাশাপাশি মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীরা সীমান্ত এলাকায় শক্তিশালী বাঙ্কার তৈরি করে দেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত আনতে পারে।
সীমান্তরক্ষি বাহিনীর উদাসীনতায় বেপরোয়া পাচারকারীচক্র
ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছে সিমেন্ট পাচার
পড়া যাবে: [rt_reading_time] মিনিটে
