সিবিএন:
উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি হ্রাসের জন্য বাজেট বৃদ্ধি প্রয়োজন। সেই সাথে বরাদ্দ পাওয়া অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা দরকার।
১৪ মার্চ কক্সবাজার জেলা পরিষদ কনফারেন্স হলে সভায় প্রাক-বাজেট (২০১৮-২০১৯) আলোচনা সভা বক্তারা এমন মন্তব্য করেন।
সভাপতির বক্তব্যে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নোমান হোসেন বলেন- প্রকৃতি, পরিবেশ আমরা নিজ হাতে ধ্বংস করছি। নিজের বিপদ নিজে ডেকে আনছি। যারা পাহাড় কাটে তারাই মিছিলের অগ্রভাগে থাকে। পাহাড় বাঁচলে কক্সবাজার বাঁচবে। প্রকৃতি ধ্বংসকারীদের নিরুদ্ধে অবস্থান নিন।
আলোচনায় অংশ নেন- কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যান শহীদুল আলম বাহাদুর, নারী ভাইসচেয়ারম্যান হেলেনাজ তাহেরা, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সেলিম উদ্দিন, দৈনিক রূপালী সৈকতের সম্পাদক ফজলুুল কাদের চৌধুরী, খুরুশকুল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুর রহিম, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি ও নিউ এজ প্রতিনিধি মুহম্মদ নুরুল ইসলাম, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও ডেইলি স্টারের স্টাফ করেসপনডেন্ট মুহাম্মদ আলী জিন্নাত, কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আবদুল আলীম, কক্সবাজার জেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতিকরণ উপ-পরিচালক হাফেজ আহমদ, কক্সবাজার জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসার মোঃ রইসউদ্দিন মুকুল, কক্সবাজার উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সামসুল আলম, বিআরডিবির কক্সবাজার উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা প্রীতিময় খীসা, এক্সপাউরুলের নির্বাহী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার কানন পাল, কক্সবাজার নিউজ ডট কম (সিবিএন) এর যুগ্ম-বার্তা সম্পাদক ইমাম খাইর, সংবাদকর্মী মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন প্রমুখ।
কোস্ট ট্রাস্টের ‘জলবায়ু অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা অর্জন কৌশল (সিএফসিএম)’ প্রকল্প আয়োজিত সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন কোস্ট ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক, সিএফটিএম প্রকল্পের টিম লিডার মকবুল অহমেদ।
বৃটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের বিষয়ে সভার উদ্দেশ্যে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন মকবুল আহমেদ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ১৯টি জেলার মধ্যে ভোলা, পটুয়াখালী এবং কক্সবাজার জেলা জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে খুবই বিপদাপন্ন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে এ সকল জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা ও মাত্রা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিসমূহ প্রায়শই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সরকার উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব কাটিয়ে উন্নয়নকে টেকসই করার লক্ষ্যে নানামুখী কৌশল নিয়েছে। এ সকল কৌশলের মধ্যে জলবায়ু অর্থায়ন হচ্ছে একটি কার্যকর কৌশল। সরকার মনে করছে জলবায়ু অর্থায়ন কৌশলের মাধ্যমে এমন সব উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে, যার ফলস্বরূপ এবং প্রভাবে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির প্রভাব হ্রাস পাবে এবং উন্নয়ন টেকসই হবে।
এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু অর্থায়নের উদ্দেশ্যে ২০০৯ সাল থেকে “জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড” নামে নতুন তহবিল গঠন করেছে এবং বিগত ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা এই তহবিলে বরাদ্দ দেওয়ার পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু অর্থায়নের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে।
বৃটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় কোস্ট ট্রাস্ট কক্সবাজার জেলার ৪টি উপজেলা টেকনাফ, কুতুবদিয়া, চকরিয়া এবং কক্সবাজার সদরে জলবায়ু অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা অর্জন কৌশল (সিএফটিএম) নামে একটি প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। উক্ত প্রকল্পের উদ্যোগে চারটি উপজেলায় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে যারা জলবায়ু সম্পর্কে সাম্প্রতিক ধারনা জানবেন এবং উক্ত ধারনা জনসমাজে তুলে ধরবেন।
প্রকল্পের উদ্যোগে চারটি উপজেলায় ২০১৭ সালের শেষে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবজনিত কিছু ইউনিয়ন পরিষদের সাথে জলবায়ু ধারণা ও ইউনিয়নের বিপদাপন্ন পরিস্থিতি বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পরিষদ সদস্যদের সামনে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমূহ আশংকার কথা তুলে ধরা হয় এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ লাগবের জন্য ইউনিয়নের ওয়ার্ডভিত্তিক চাহিদা চাওয়া হয়।
২০১৭ সালের অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে চকরিয়া উপজেলায় ৯টি, কুতুবদিয়া উপজেলায় ৬টি, টেকনাফ উপজেলায় ৩টি ও কক্সবাজার সদর উপজেলায় ২টি মোট ৪টি উপজেলায় মোট ২০ টি ইউনিয়ন পরিষদের সাথে স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জলবায়ু পরিবর্তন ধারনা ও বিপদাপন্ন পরিস্থিতি বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে চকরিয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ হল রুমে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলার সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও নাগরিক সমাজের স্থানীয় প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত সভায় স্ব স্ব উপজেলার ইউনিয়নভিত্তিক জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট দূরবস্থা হ্রাসে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক উত্থাপিত সুপারিশসমূহ পেশ করা হয়েছে এবং সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
সভার উদ্দেশ্য হচ্ছে স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট দূরবস্থা চিহ্নিত করা এবং তা নিরসনের জন্য সরকারের উদ্যোগকে সফল করার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে সবাইকে জানানো। অর্থাৎ সরকারের জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডে বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথ গুরুত্বসহকারে ব্যবহারে সক্ষমতা অর্জনের জন্য তৈরি হওয়া এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা।
কক্সবাজার উপজেলার ২টি ইউনিয়ন পরিষদ-খুরুশকুল ও চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের সাথে জলবায়ু পরিবর্তন ধারনা ও তার বিপদাপন্ন পরিস্থিতি বিষয়ে দুটি মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়। তাতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি হ্রাসের যে সুপারিশ করা হয়েছিল তা এখানে তুলে ধরা হলো।
কক্সবাজার উপজেলার ২টি ইউনিয়নের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি হ্রাসের চাহিদা:
ইউনিয়নের নাম: খুরুশকুল
জোয়ারের পানির প্রবেশ রোধ করার জন্য বেড়িবাঁধের চাহিদা:
খুরুশকুল ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের হাটখোলা পাড়া হতে চৌফলদন্ডি ঘাট হয়ে তেতৈইয়া ঘাট পর্যন্ত বর্ষাকালে
জোয়ারের পানিতে বর্তমান বেড়িবাঁধ ডুবে গিয়ে পানি লোকালয়ে ও চাষের জমিতে ঢোকে। উক্ত স্থানে বেডিবাঁধ ২০ ফুট উঁচু
করে নির্মান করলে জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধ হবে।
৮ নং ওয়ার্ডের নদীর পাশের হাফেজা পাড়ায় বেড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ারের পানি ঢোকে। ১ কি.মি. বেড়িবাঁধ নির্মান করলে এই গ্রামে জোয়ারের পানি ঢুকবে না। তার সাথে একটি স্লুইচগেইট স্থাপন করতে হবে।
১ নং ওয়ার্ডের গুইল্যা বাপের পাড়ায় জোয়ারের পানি ঢোকে। গুইল্যা বাপের পাড়া থেকে ওয়াপদা পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার রাস্তা ৩ ফুট উঁচু করে নির্মান করলে জোয়ারের পানি ঢুকবে না।
কুলিয়া পাড়ার পশ্চিম পাড়ায় জোয়ারের পানি ঢোকে। পশ্চিম পাশের রাস্তা ৫ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট রাস্তা নির্মান করলে তাতে জোয়ারের পানি ঢুকবে না।
স্লুইচ গেইট নির্মাণের চাহিদা:
১ নং, ২ নং ও ৩নং ওয়ার্ড মিলে ১ নং ওয়ার্ডে মাত্র ১টি স্লইচ গেইট রয়েছে। সংস্কারের অভাবে তাতে পানি আটকে থাকে। ১ নং ওয়ার্ডের স্লুইচগেইটটি সংস্কার করে পানি চলাচলের উপযোগী করতে হবে এবং ২নং ও ৩নং ওয়ার্ডে আরো দুটি স্লুইচ গেইট স্থাপন করার অবশ্যকতা রয়েছে।
১ নং ওয়ার্ডের ৮নং স্লুইচ গেইটটি বন্ধ আছে, এটি সংস্কার করে চালু করতে হবে।
ড্রেজিং করার চাহিদা:
কুমারিয়ার ছরা ব্রীজ হতে তেতৈইয়ার স্লুইচগেইট পর্যন্ত ড্রেজিং করার প্রয়োজন রয়েছে।
সাম্পান ঘাট ছরা হতে কলম্বো ছরা পর্যন্ত ড্রেজিং করার প্রয়োজন আছে।
নালা নির্মাণের চাহিদা:
খুরুশকুল রাখাইন পাড়ায় নালার অভাবে রাস্তায় ও পাড়ায় বর্ষাকালে পানি জমে থাকে। রাখাইন পাড়া থেকে বর্তমান স্লুইচ গেইট পর্যন্ত ৭ চেইন নালা নির্মান করলে জলাবদ্ধতার অবসান হবে এবং জন দুর্ভোগ লাগব হবে।
সাইক্লোন শেল্টারের চাহিদা:
৬ নং ওয়র্ডে ১টি (শান্তিনিকেতন বিদ্যালয়ে), ৩ নং ওয়ার্ডে ১টি (রাখাইন পাড়া) সাইক্লোন শেল্টার নির্মান প্রয়োজন।
বন্যার পানি রোধের জন্য ব্লক স্থাপন:
তেতৈইয়া নতুনঘোনা পাড়ার তাহের সওদাগরের দোকানের পাশ পর্যন্ত বর্ষাকালে পাহাড়ের পানি প্লাবন রোধের জন্য ৩০০ ফুট দীর্ঘ সিমেন্টের ব্লক দিয়ে পানির গতিরোধক নির্মান করলে বন্যার প্লাবন থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
ইউনিয়নের নাম: চৌফলদন্ডী
জোয়ারের জলোচ্ছ্বাস রোধের জন্য বেডিবাঁধের চাহিদা:
চৌফলদন্ডি ইউনিয়নের ৩১নং ওয়ার্ড হতে ৯ নং ওয়ার্ড পর্যন্ত বেড়িবাঁধ নির্মান আবশ্যক। বেড়িবাঁধে বৃক্ষরোপন প্রয়োজন।
জালালাবাদ রোড ভেঙ্গে যাওয়ায় বর্ষাকালে রবার ডেম্পের পানি এসে চৌফলদন্ডি প্লাবিত হয়। জালালাবাদ সড়ক উঁচু করে বাঁধলে উক্ত পানির প্লাবন রোধ করা সম্ভব হবে।
৭নং ওয়ার্ডের ফরিদের বাড়ি থেকে আবদুল হাকিমের বাড়ি পর্যন্ত মাটির রাস্তা উঁচু করে নির্মান করা প্রয়োজন যাতে জোয়ারের পানি না ঢোকে। রাস্তায় একটি কালভার্ট দিতে হবে।
ড্রেজিং করার চাহিদা:
ব্রীজের গোড়া থেকে ঢোলঘাটা পর্যন্ত ড্রেজিং করা আবশ্যক এবং নদীর পাড়ে বৃক্ষরোপন প্রয়োজন।
চৌফলদন্ডি বাজারের ড্রেন এবং দক্ষিণ রাখাইন পাড়া হতে ২ নং ওয়ার্ডের ব্রীজ পর্যন্ত ড্রেন ড্রেজিং করে পরিস্কার করতে হবে।
৫নং ওয়ার্ডের বটতলা থেকে সিকদার পাড়া স্লুইচগেইট পর্যন্ত খাল ড্রেজিং করা আবশ্যক। বর্তমানে উক্ত এলাকায় বর্ষাকালে জলাবদ্ধতায় বাড়ি, রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে থাকে।
৫নং ওয়ার্ডের দানু মেম্বরের বাড়ির সামনের ব্রীজ হতে বড়গোদা পর্যন্ত খাল খনন করা আবশ্যক।
স্লুইচ গেইট নির্মানের চাহিদা:
চৌফলদন্ডি ইউনিয়নের ৫টি স্লুইচগেইট অকেজো হয়ে আছে। তা ভালোভাবে সংস্কার করে সচল করতে হবে।
সাইক্লোন শেল্টারের চাহিদা:
চৌফলদন্ডি ইউনিয়নে বর্তমানে চারটি সাইক্লোন শেল্টার আছে। এখন আরো চারটির চাহিদা রয়েছে। পরিষদ সভা সুপারিশ করেন-
১ নং ওয়ার্ডের ব্রীজের গোড়ায় ১টি স্থাপন করা প্রয়োজন।
৫নং ওয়ার্ডের মাতবরপাড়া গ্রামে ১টি স্থাপন করা প্রয়োজন।
৬নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বিল গ্রামে ১টি স্থাপন করা প্রয়োজন।
৭নং ওয়ার্ডের উতত্রপাড়া গ্রামে ১টি স্থাপন করা প্রয়োজন।
জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য নালা নির্মানের চাহিদা:
মধ্যম রাখাইন পাড়া সাবেরের দোকান হতে সাগর পাড়া পর্যন্ত ড্রেন করা খুবই প্রয়োজন। তাতে ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
চকরিয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলার সভায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি হ্রাসের প্রধান চাহিদাসমূহ:
চকরিয়া ও কুতুবদিয়ায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মানের দাবি
বেড়িবাঁধে বৃক্ষরোপনের দাবি
বেড়িবাঁধের বাইরে প্যারাবন সৃষ্টির দাবি
কুতুবদিয়ায় পানীয় জলের সংকটের জন্য সেচের কাজে গভীরনল কূপের পানি উত্তোলন বন্ধের দাবি
চকরিয়া ও কুতুবদিয়ার বিভিন্ন স্থানে পূর্বে স্থাপিত অকেজো স্লুইচগেইট সংস্কারের দাবি
জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য নতুন স্লুইচগেইট স্থাপনের দাবি
ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রয়োজনীয় স্থানে জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য নালা স্থাপনের দাবি
দখলকৃত ও বদ্ধ খাল খনন করে সচল করার দাবি
চকরিয়ায় পাহাড় থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধের দাবি
চকরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকার পরিবেশ বিধ্বংসী তামাক চাষ ও বন উজাড়কারী তামাক চুলা বন্ধের দাবি
বৃক্ষরোপন প্রকল্পের কাজ গুরুত্বের সাথে সম্পন্ন করা এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক বনায়নের লক্ষে বৃক্ষরোপনের উদ্যোগ বৃদ্ধি করা
সর্বোপরি জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড থেকে বরাদ্ধকৃত প্রকল্পের কাজগুলি জনগণকে অবহিত করার ব্যবস্থা করা
চকরিয়া উপজেলার মাতামহুরী নদীর দুই পাড়ে টেকসই বেড়িবাঁধ দেওয়া এবং তাতে বৃক্ষ রোপনের দাবি
মাতামহুরী নদীর পানিকে সর্বোচ্চ হারে সেচের কাজে ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণের দাবি
চকরিয়ায় বন্যার পানি এবং কুতুবদিয়ায় জোয়ারের পানি ঠেকবার জন্য বিভিন্ন স্থানের রাস্তা উঁচু করার দাবি
চাহিদা অনুযায়ী আরো সাইক্লোন সেন্টার নির্মানের দাবি
বন্যার সময় এবং জোয়ারের জলোচ্ছ্বাসের সময় আশ্রয় কেন্দ্রে যাবার সুবিধার জন্য রাস্তা উঁচু করার দাবি
কুতুবদিয়ায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন স্থলে বিশেষ করে বেড়িবাঁধ নির্মান স্থলে কাজের বিবরণ সম্বলিত কোনো প্রকার তথ্যবোর্ড স্থাপন না করার অভিযোগ
জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড গ্রহণকারীদের তালিকা মন্ত্রণালয় থেকে উপজেলা অফিসে প্রেরণের মাধ্যমে তথ্য সরবরাহের দাবি
জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড গ্রহণকারীদের তালিকা জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইটে দেওয়ার দাবি।