ফারুক আহমদ:

উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের হিজলিয়া খালের ভাঙ্গন রোধে কল্পে টেকসই বাঁধ নির্মাণ স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ আগষ্ট) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমদ খালের ভাঙন পরিদর্শন করতে গেলে শত শত ক্ষতিগ্রস্হ গ্রামবাসী জড়ো হয়।
গ্রামবাসীর একটাই দাবি ভাঙ্গন রোধ কল্পে দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ করে বসতি ঘর বাড়ি ও ফসলী জমি রক্ষা করা ।
পরিদর্শন কালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ খালের ভাংগন মেরামতে প্রয়োজন উদ্যোগ গ্রহণ সহ ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে অবহিত করবে বলে গ্রামবাসীকে আশ্বস্ত করেন ।
সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, টানা প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে হিজলিয়া খালের পাড় ভেঙে লোকালয়ে পানি ডুকে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত সহ ফসলী জমি চাষাবাদে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
খালের ভাংগনের কবল হতে ঘরবাড়ি ও জমি রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামতে নেমে পড়েছেন গ্রামবাসীরা।
স্হানীয়রা জানান, খালে ব্যাপক ভাংগনে বন্যার পানি ডুকে শত শত ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়। শুধু তাই নই পলি মাটি জমে ফসলি জমির চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
এলাবাসী ভাংগন মেরামত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক , পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত আবেদন করেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি।
এদিকে গত শুক্রবার বাড়িঘর ও ফসলি জমি রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমে খালের ভাংগন মেরামতে নেমে পড়েছেন এলাকাবাসী।
আল আমিন সোসাইটি নামক একটি সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বেচ্ছাশ্রমের উদ্যোগ নেন। জিয়াউল হাসান টিপু জানান, খালের ব্যাপক ভাঙ্গন মেরামতে গ্রামবাসীরা স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করলেও গত রবিবার দ্বিতীয় বারের মত প্রবল বর্ষণে সেই বাঁধ খালে বিলীন হয়ে যায় । বর্ষা আসলেই আতং ও ভয়ে গ্রামের মানুষের ঘুম হারাম হয়ে যায়।

এলাকার বাসিন্দারা খালের ভাংগন মেরামত ও বেড়িবাঁধ নির্মান করে গ্রাম সহ ফসলী জমিকে রক্ষা করার জন্য উর্ধতন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট দাবী জানিয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •