৩০ জানুয়ারি দৈনিক কক্সবাজারসহ একাধিক পত্রিকায় “সংবাদ সম্মেলনে পৌর আওয়ামী লীগের দাবী, নাশকতা মামলার আসামী জামসেদ, কামাল ও নাসিমাকে গ্রেপ্তার করুন” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটির ভেতরে প্রকাশিত একাংশ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামী জাফর আলমকে সাধু বানিয়ে আমাকে যেভাবে ইয়াবা ব্যবসায়ি বানানো হয়েছে তা খুবই দুঃখজনক।

উক্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে আমি (কায়েস) বলতে চাই শুধু আমি না, আমার চৌদ্দ গোষ্ঠির মধ্যে যদি কেউ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে তা প্রমান করতে পারে তাহলে আইন শৃংখলা বাহিনীসহ এলাকাবাসী এবং সমাজের লোকজন যে শাস্তি দেয় তা মাথা পেতে নেব। পাশাপাশি জাফর আলম কি রকম ভাল মানুষ তাও বিবেচনার জন্য সংবাদ সম্মেলনকারি এবং আইন শৃংখলা বাহিনীকে অনুরোধ জানাচ্ছি। এছাড়া গত ২৭ ডিসেম্বর রাতে এই জাফর আলম তার সন্ত্রাসি দলবল নিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নগদে এক লাখ বিশ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে আওয়ামী লীগের অফিসে আগুন দেয়ার অপবাদ দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করে। কিন্তু আমিও একজন আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রান। আমার জন্য ওই দিন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা প্রশান্ত ভোষন বড়–য়া একাধিকবার পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে ফোনে কথা বলেন। এছাড়া কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল করিম, জেলা আওয়াশী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক আবু তাহের আজাদ, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক প্রভাবশালী ছাত্রনেতা মোর্শেদ হোসাইন তামিম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহামুদুল করিম মাদু ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনিন সরওয়ার কাবেরীসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী থানায় যান। পরে বিষয়টি এই শহরের অভিভাবক জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, পৌর মেয়র ও জননেতা মুজিবুর রহমান নিজেই সব কিছু তদন্ত করে আমাকে থানা হাজত থেকে মুক্তি দেয়ার ব্যবস্থা করেন। কারন আমি (কায়েস) গত পৌরসভা নির্বাচনের সময় এই শহরের জন-নন্দিত জননেতা পৌর মেয়র মুজিবুর রহমানের জন্য রাত-দিন পরিশ্রম করেছি। বিনিময়ে কিছুই চাইনি। এমনকি ২৭ ডিেিসম্বর জাফর ও তার সন্ত্রাসি হামলায় আমার মাথায় কুপিয়ে ১১টি সেলাই হলেও এই পর্যন্ত আমি তার বিরুদ্ধে কোন মামলা করি নাই। কিন্তু সম্প্রতি সময়ে তাকে পুলিশে ধরার পর কেন আমার নাম এসেছে তা অবশ্যই জানার বিষয়। আমি সকলের কাছে একটাই আবেদন করছি জাফরের বিষয়ে কেউ না কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। কারন জাফর গ্রেফতারের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। তাকে পুলিশে ধরেছে। সুতারাং পুলিশ ভাল বলতে পারবে কে বা কাহারা তাকে ধরিয়েছে। বিষয়টি উৎঘাটনের জন্য সংবাদ সম্মেলনকারিদের আবেদন জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমার বিরুদ্ধে দেয়া মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর অপবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারি
মোঃ কায়েস

পাহাড়তলী, কক্সবাজার পৌরসভা, কক্সবাজার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •