বৃষ্টিতে নগরী অচল,সমন্বয়হীনতাই চলছে জলাবদ্ধতা

জে.জাহেদ,চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামে মধ্যরাত থেকে টানা বৃষ্টি। আবারো মানুষের চরম ভোগান্তি। সড়ক আর প্রতিটি মোড়ে মোড়ে ওয়াসা ও সিটি কর্রপোরেশন এর সড়ক সংস্কার।

অতিরিক্ত বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা যেন লেগেই থাকে। অথচ নিরসনে হাজার কোটি টাকা খরচ করলেও সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতার কারণে এখন পর্যন্ত এর কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছেনা।

আগে টানা কয়েক ঘন্টার বৃষ্টির সাথে জোয়ারের পানি প্রবেশের কারণে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও এখন আধ ঘন্টারও কম সময়ের বৃষ্টিতে ডুবে যাচ্ছে বন্দরনগরী ।

জলবদ্ধতা নিরসন সিটি কর্পোরেশনের এখতিয়ার বর্হিভূত বলে দায় এড়াচ্ছেন মেয়র।

আর সিডিএ চেয়ারম্যানের দাবি, সবগুলো প্রকল্প শেষ হলেই জলবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে নগরবাসী।

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগে থেকেই সামান্য বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাচ্ছে নগরীর বেশিরভাগ এলাকা।

এখন জোয়ারের পানি নগরীতে প্রবেশের আগেই পুরো নগরী হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে যায়।

অথচ এ জলবদ্ধতা নিরসনে সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।

সর্বশেষ অনুমোদন দেয়া হয়েছে ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। কিন্তু তার পরও ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলছে না নগরবাসীর।

এতোদিন জলবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশন কাজ করলেও এখন সে দায়িত্ব পালন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

আবদুচ ছালাম (চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) বলেন, টাকা যত প্রয়োজন হবে হোক, চট্টগ্রামকে জলবদ্ধতা মুক্ত করতেই হবে।

ইতোমধ্যে সিটি কর্পোরেশন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানিয়েছে, জলবদ্ধতা নিরসন তাদের কাজ নয়।

আ জ ম নাছির উদ্দিন (মেয়র, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন) গণমাধ্যমকে বলেন, সমস্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এই সমস্যার সমাধান হবে।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, জলবদ্ধতা থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিতে গেলে সিডিএ এবং সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই।

স্থপতি আশিক ইমরান (নগর পরিকল্পনাবিদ) বলেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষর দাবি যৌক্তিক কিন্তু তা বাস্তবায়ন করতে দেরি হয়েছে এটিও ঠিক।

প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম( সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) দুইদিন পর ওয়াসা খোড়াখুড়ি শুরু করলে আমরা বেনিফিট পাবো না।

বৃষ্টির পানি সরে যাওয়ার পাশাপাশি সাগরের জোয়ারের পানি চলাচলে এক সময় নগরীতে ৩৪টি খাল ছিলো। কিন্তু দখল, দূষণ ও ভরাটের কবলে পড়ে অধিকাংশ খাল’ই অস্তিত্ব হারিয়েছে।

বর্তমানে চাক্তাই, রাজাখালী এবং মহেশখালসহ মাত্র কয়েকটি খাল তাদের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে।

এদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস সুত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বৃষ্টিপাত হয়েছে ১২৯ মিলিলিটার। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি হবার সম্ভাবনাও জানিয়েছেন।

cbn
কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

সীমান্তে পাকা স্থাপনা নির্মাণে মিয়ানমারের দুঃখ প্রকাশ

নাইক্ষ্যংছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ারকে আমিরাতে সংবর্ধনা

রিহ্যাব শারজাহ মেলায় অংশ নিচ্ছে ৫০ কোম্পানি ও ১০ ব্যাংক

হোপ হসপিটালে পোড়া রোগীদের সার্জারি ক্যাম্প

রামু কলেজে উগ্রবাদ-সহিংসতা প্রতিরোধে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও ওরিয়েন্টেশন

আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক নেই ওলামা লীগের

বিয়েতে সৌদি নারীদের পছন্দের শীর্ষে বাংলাদেশি পুরুষরা

চুরি যাওয়া মোবাইল লক করে দেওয়ার সেবা চালু করছে বিটিআরসি

মহেশখালীতে বসতি উচ্ছেদ করে কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের রাস্তা নির্মাণ, উৎকন্ঠা

ফেরিওয়ালা

‘ওয়ার্ল্ড হিজাব ডে’ পালিত হবে ১ ফেব্রুয়ারি

সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ কারাগারে

লাগাতার হাট-বাজার বয়কটে চরম দূর্ভোগে বাঘাইছড়ির লাখো মানুষ

সাবমেরিন ক্যাবলের কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হলো বাংলাদেশ

রোহিঙ্গাদের দেখতে কক্সবাজারে জাতিসংঘের বিশেষ দূত

৩৭তম বিসিএস নন-ক্যাডারের ফল ফেব্রুয়ারিতে

একটি ব্রীজের জন্য ১০ গ্রামের মানুষের সীমাহীন দূর্ভোগ

কঠিন সময় পার করছে রেলওয়ে

ওয়াইফাই জোন স্থাপনের নিমিত্তে কউক’র আলোচনা সভা