গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের আওতায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) এর অর্থায়নে এনজিও সংস্থা RIC এর বাস্তবায়নে প্রথম পর্যায়ে পবিত্র রমজান মাস, গরমের দিন, করোনা ঝুকি, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা – এমন পরিস্থিতিতে মহেশখালী উপজেলার ৮৭ টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৩ টি মাদ্রাসাসহ মোট ৯০ টি প্রতিষ্ঠানের ৩৮,৯৬৪ জন ছাত্রছাত্রীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিস্কুট বিতরণ সম্পন্ন করা হয়। এতে ছাত্রছাত্রীরা জনপ্রতি ৫০ প্যাকেট করে বিস্কুট পায়।
মহেশখালীর উপকূলীয় ও পাহাড়ী দুর্গম এলাকায় এভাবে বিস্কুট বিতরণ করা কতটা কষ্টসাধ্য ছিলো তা সহজে অনুমেয়। অত্যন্ত কষ্ট করে যারা বিস্কুট বিতরণ সম্পন্ন করেছেন সংশ্লিষ্ট সকলে ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।
আগামী ১২ জুলাই থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে আবারো বাড়ী বাড়ী গিয়ে বিস্কুট বিতরণের কর্মসূচি ঘোষনা করা হয়েছে। করোনা (COVID -19) পরিস্থিতিতে যেসব কারণে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিস্কুট বিতরণ করা হয় তন্মধ্যে অন্যতম হলো –
>> সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা।
>> স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।
>> প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বিস্কুট প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
আমার মতে, প্রত্যেক শিক্ষার্থী বিস্কুট প্রাপ্তি নিশ্চিত করা গেলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা পুরোপুরি সম্ভব হয়ে ওঠেনি। কেননা বিস্কুট বিতরণের দিন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের বাড়িতে অবস্থানের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলেও ছাত্রছাত্রীরা তা মেনে চলেনি।
সবকিছু উপেক্ষা করে তারা জায়গায় জায়গায় জড়ো হয়ে যায়। এতে বিস্কুট বিতরণকারী এনজিও প্রতিনিধি ও তাদের সহযোগিতাকারী আমাদের সম্মানিত শিক্ষকদের চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে হিমশিম খেতে হয়েছে।
#প্রস্তাবনাঃ
১। যেহেতু এখন বর্ষাকাল এবং সব জায়গায় লকডাউন নেই। অনেক সময় বৃষ্টির পানিতে পথঘাট ডুবে যায় এবং রাস্তা ভেঙ্গে যায়। তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে বিস্কুট বিতরণ করা যায়।
২। করোনা পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়ে বিস্কুট বিতরণে দায়িত্ব পালনকারী সম্মানিত শিক্ষকদের সম্মানজনক প্রণোদনার ব্যবস্থা করা যায়।
ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট সকলকে।

মুহাম্মদ রবিউল হোছাইন
প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব)
কায়দাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
মহেশখালী, কক্সবাজার।
মোবাইল – ০১৭১৩ ৬১৪ ৭১৮