মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া:
জনগণ যাতায়াতে দুর্ভোগ নিরসনে সড়ক সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এলাকাবাসী। চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নস্থ নতুনপাড়ার সড়কের এ জনকল্যাণ কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এমরানুল হক সওদাগর।
সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় চলছে উন্নয়ন কাজ। তার সাথে যোগ হয়েছে এলাকার উৎসাহী যুব সমাজ।
চকরিয়া-লামা উপজেলার সংযোগ সড়কটি যেন জন্মদুঃখী। সারা বছর ইজারা বহির্ভূত বালি, পরিবেশ বিধ্বস্তি মাটি ও বনাঞ্চলের বৈধ-অবৈধ কাঠের ভারী গাড়ির কারণে সড়কের ভয়ংকর এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। সড়কটির উপর নির্ভর জড়িত ব্যবসায়ীরা জনস্বার্থে সংস্কার কাজে কেউ উঁকি দিচ্ছে না। অথচ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সড়ক দিয়ে চালিয়ে গেছে কোটি টাকার ব্যবসা।
এছাড়াও প্রতিদিন চলাচল করছে জীপ, ট্রাক, ডাম্পারসহ বিভিন্নরকম ভারী যানবাহন। এতে সরকার পাচ্ছে বিশাল অংকের রাজস্ব। কিন্তু এ পর্যন্ত কারও মাথাব্যথা নেই সড়কটি সংস্কারে। প্রতিনিয়ত বৈধ-অবৈধ পথে আয় করছে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। প্রতি বছরের মতো চলতি বর্ষা মৌসুমেও এ সড়ক হয়ে উঠেছে চাষের জমি। যাতায়াতে দুর্ভোগে পোহাচ্ছে দুই উপজেলার অর্ধ লক্ষ জনগণ।
সর্বশেষ পরিস্থিতি সরেজমিনে জানা যায়, এলাকার কোন রোগী এম্বুলেন্স নিয়ে হাসপাতালে নেয়ার সুযোগ নেই এ সড়ক দিয়ে। নিকটস্থ কোন বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধার তৎপরতার সুযোগ নেই ফায়ার সার্ভিসের। যানজট ও বর্ষার পানি জমে বেহাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে নতুন পাড়ার সড়কটি। জন দুর্ভোগ নিরসনে এ সড়কে সরকারি ভাবে কোনপ্রকার নজরদারি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। স্থানীয়রা জনস্বার্থে সড়কটির ভঙ্গুর অংশে বালি ও কংক্রিট দিয়ে ভরাট করতে দেখে আশার সঞ্চার ঘটেছে স্থানীয়দের।
এ ব্যপারে সংস্কার কাজে নেতৃত্ব দাতা এমরানুল হক সওদাগর জানান, জন চলাচলের এ সড়কটি ব্যাস্ততম যোগাযোগ মাধ্যম। ব্যবসায়ীরা সরকারকে রাজস্ব দিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু চলতি বর্ষায়র মৌসুমে সড়কটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে মানুষ চলাচল অনুপযোগী হয়ে উঠছে। তাই স্থানীয়দের মাধ্যমে সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। অতিসত্বর অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা হবে যাতে জনগণ চলাচলে কোনপ্রকার বিগ্ন না ঘটে।