পেকুয়া প্রতিনিধি:

স্ত্রীর ইন্ধনে পেকুয়ায় মুরগী বেপারীকে পিটিয়ে জখম করেছে দুবৃর্ত্তরা। এ সময় নগদ টাকা ও একটি মুঠোফোনও লুট করে নিয়ে যায়। স্থানীয়রা জখমী ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। হাঁড়ভাঙ্গা জখম থাকায় পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জখমী ব্যক্তিকে চমেক হাসপাতালে রেফার করে। ২৬ জুন রাত সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের আন্নরআলী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। জখমী ব্যক্তির নাম শফিউল কাদের (৫০)। তিনি উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের বদিউদ্দিনপাড়া গ্রামের মৃত বাচা মিয়ার ছেলে। পেশায় একজন ক্ষুদ্র মুরগী ব্যবসায়ী।

স্থানীয় সুত্র জানায়, ওই দিন রাত সাড়ে ১০ টার দিকে মুরগী বেপারী শফিউল কাদের রাজাখালী নিজ বাড়ি থেকে বারবাকিয়া ইউনিয়নের আন্নরআলী পাড়ায় শাশুড় বাড়িতে আসছিলেন। পথিমধ্যে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা ৬/৭ জনের দুবৃর্ত্তরা তাকে গতিরোধ করে। এ সময় শফিউল কাদেরকে সবাই মিলে লাঠি ও কিল, ঘুষিসহ হামলা চালায়। লাঠির আঘাতে ওই ব্যক্তির বাম হাতের কব্জিতে হাঁড়ভাঙ্গা মারাত্মক জখম হয়। এক পর্যায়ে মূমুর্ষু অবস্থায় তাকে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহাব উদ্দিনের সহায়তায় প্রত্যক্ষদর্শীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরন করে।

সুত্র জানায়, গত ২ মাস ধরে শফিউল কাদের ও স্ত্রী মরিয়ম বেগমের মধ্যে বনিবনা চলছিল না। স্বামীর অবাধ্য স্ত্রী কাউকে না জানিয়ে পিতার বাড়িতে চলে আসে। ওই দিন শফিউল কাদের স্ত্রীকে সংসারে ফেরাতে রাজাখালী থেকে শাশুড় বাড়ীতে যাচ্ছিলেন। শফিউল কাদের জানান, ৯/১০ বছর আগে মরিয়ম ও আমার মধ্যে বিবাহ হয়েছিল। দাম্পত্য জীবনে ২ সন্তানের পিতা-মাতা আমরা। কলহ ও সাংসারিক বিরোধ মেটাতে আমি নিজেই স্ত্রীর কাছে ছুটে এসেছিলাম। কিন্তু তারা রাস্তায় আমাকে আটকিয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছে। নগদ ৪২ হাজার টাকা ও একটি মুঠোফোন নিয়ে যায়। আমি থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছি। ভাড়াটে মো: রাজু, আক্তার আহমদসহ ৭/৮ মিলে আমাকে স্ত্রীর ইন্ধনে হামলা চালায়। পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম জানান, তদন্ত সাপক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।