সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ

২৯ এপ্রিল উপকূলবাসীর কাছে এক দুঃসহ স্মৃতির নাম। ১৯৯১ সালের এ দিন রাতে বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর উপকূলে আঘাত হেনেছিল ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস। লাশের পর লাশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল চারদিকে। বিস্তীর্ণ অঞ্চল পরিণত হয় ধ্বংসস্তূপে।

২৯ বছর আগের সেই মহাপ্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাত তছনছ করে দিয়েছিল উপকূলীয় জনপদ। এখনো সেই দুঃসহ স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে উপকূলের জেলে ও মৎস্যজীবিরা।

সারা দেশের মতো কক্সবাজারেও করোনার প্রাদুর্ভাবে লকডাউন পরিস্থিতি চলমান। ভয়াল ২৯ এপ্রিল স্মরণে লকডাউনের নিথর নিঃস্তব্দ সন্ধ্যায় কক্সবাজারের ফিশারি ঘাট এলাকা ও পার্শ্ববর্তী তিনটি পয়েন্টে মাছ ধরার ট্রলারের অবস্থানরত মাঝি ও জেলেদের মাঝে এক বেলার আহার ও এক সপ্তাহের শুকনো খাবার প্রদান করে ছাত্র ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলা সংসদ।

কক্সবাজার জেলা সংসদের সভাপতি অন্তিক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক তনয় দাশ, শহর সংসদের সভাপতি শুভজিত রুদ্র, সাধারণ সম্পাদক মুক্তাদিল জয়, জেলা সংসদের দপ্তর সম্পাদক অাপন দাশ, ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ক্লোরিন চাকমা, নিলয় দাশ, বিশু ঋত্বিক প্রমুখ।

ঝুঁকিপূর্ণ আশ্রয়কেন্দ্র গুলোর সংস্কার এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদের দাবী জানান জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি অন্তিক চক্রবর্তী।