মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজারের একমাত্র করোনা রোগীর সন্তান এডভোকেট হেফাজতুর রহমানের শরীরে করোনা জীবাণু ধরা পড়েনি। কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান সিবিএন-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকাস্থ আইইডিসিআর ল্যাব থেকে ৩০ মার্চ সোমবার সকালে এডভোকেট হেফাজতুর রহমানের পরীক্ষার টেস্ট রিপোর্ট কক্সবাজারে পাঠানো হয়।

অন্যদিকে, একইসাথে পাঠানো এডভোকেট হেফাজতুর রহমানের সহধর্মিণী নার্গিস জান্নাতের টেস্ট রিপোর্ট আইইডিসিআর ল্যাব থেকে এখনো পাঠানো হয়নি বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান।

ঢাকার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটের ৬ নাম্বার বেডে চিকিৎসাধীন থাকা ৭৮ বছর বয়স্কা করোনা আক্রান্ত মহিলা রোগীর সন্তান এডভোকেট হেফাজতুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী নার্গিস জান্নাত এর শরীরের রক্ত সহ অন্যান্য স্যাম্পল টেস্ট করার জন্য শনিবার ২৮ মার্চ ঢাকাস্থ আইইডিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছিলো।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারী উক্ত করোনা ভাইরাস আক্রান্ত মহিলা রোগী সৌদী আরবে উমরাহ হজ্জ করতে যান। গত ১৩ মার্চ তার সন্তান ব্যাংকার হারুনর রশিদ সহ দেশে ফেরেন। পরে মহিলাটি গুরতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বিদেশ থেকে আসার বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপন রেখে তাকে গত ১৮ মার্চ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। গত ২২ মার্চ চিকিৎসকেরা বয়স্কা মহিলাটির শরীরের স্যাম্পল সংগ্রহ করে টেস্টের জন্য ঢাকার আইইডিসিআর ল্যাবে পাঠিয়ে দেন। গত ২৪ মার্চ টেস্ট রিপোর্ট আসলে সেখানে তার শরীরে করোনা ভাইরাস জীবাণু ধরা পড়ে। এরপর মহিলাটির সংস্পর্শে আসা মহিলাটির সকল আত্মীয় স্বজন, চিকিৎসক, নার্স, আয়া, ক্লিনার সহ সকলকে হোম কোয়ারান্টাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তখন থেকে চকরিয়ার খুটাখালী নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারান্টাইনে থাকা সিনিয়র আইনজীবী ও করোনা রোগী মহিলার সন্তান এডভোকেট হেফাজতুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী নার্গিস জান্নাতের সর্দি, কাশি, জ্বর সহ করোনা ভাইরাসের বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেয়। এজন্য তাদের শরীরের স্যাম্পল কালেকশন করে টেস্টের জন্য শনিবার ঢাকায় পাঠানো হয়েছিলো।