প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

‘বাঁচাও কক্সবাজার, বাঁচাও দেশ, জলবায়ু ঝুঁকিতে বাংলাদেশ’ শ্লোগানে কক্সবাজারে জলবায়ু অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) বিকাল ৩টায় কক্সবাজার শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ্যাকশন এইডের সহযোগিতায় ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এর আয়োজনে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।

ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এর কক্সবাজারের প্রতিনিধি জাবেদ নূর শান্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন নতুন জীবন সংগঠনের সহ-সভাপতি মিনহাজ চৌধুরী, স্বপ্নজালের পরিচালক সাকির, মেডিটেটিভ ইয়ুথ এর পরিচালক আবতাহী আবরার, ইয়াসিদ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কায়সাদ হামিদ, কক্সবাজার ব্লাড ডোনারস সোসাইটি’র এডমিন আশরাফুল হাসান ও জাহাঙ্গীর আলম, বিআইবিও’র সহ-সভাপতি আদিল, অদম্য’র সদস্য হাসান, টেকপাড়া তরুণ ঐক্য পরিষদের সভাপতি আসিফ উল করিম, এসটিআর ফর চেইঞ্জ’র পরিচালক কাওসার, ইয়ুথনেট কক্সবাজার’র সদস্য জিমরান মাহমুদ সায়েদ, দিভা অর্গানাইজেশন’র সিইও সাবরিনা রহিম প্রিয়া, এক টাকায় আলোকিত কক্সবাজার’র অর্থ সম্পাদক সাবেকুন্নাহার, চট্টগ্রামস্থ কক্সবাজার জেলা ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি গাজী নাজমুল হক। এছাড়াও কক্সবাজারের বিভিন্ন যুব এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অংশগ্রহণ করেন।

উক্ত জলবায়ু অবরোধ কর্মসূচীতে প্লেকার্ড হাতে কক্সবাজারের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের যুবরা জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সকলে একাত্বতা প্রকাশ করেন। সেইসাথে সকল সংগঠন থেকে আমন্ত্রিতরা একে একে জলবায়ু অবরোধ কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন।
আয়োজিত সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা বলেন, ইয়ুথনেট এর এমন একটি কর্মসূচী আসলেই প্রশংসনীয়। একটি দেশের নাগরিক হিসেবে এই দেশকে জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। এটা সকলের নাগরিক দায়িত্ব এবং কর্তব্য।

পরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মাধ্যমে “জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ক্ষয়-ক্ষতি কমানোর লক্ষে গ্লোবাল ক্লাইমেট একশন উইক এর আহ্বানে ‘জলবায়ু জরুরী অবস্থা’ ঘোষণার জন্য প্রধাণমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

কর্মসূচীর সার্বিক প্রসঙ্গে ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এর কক্সবাজার প্রতিনিধি জাবেদ নূর শান্ত বলেন, জলবায়ু সংকটে বাংলাদেশ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় সবার শীর্ষে। আমি মনে করি আমাদের তরুণ-তরুণীদের হাত ধরে এই জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় ব্যাপক অবদান রাখায় সারা বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান হবে সব দেশগুলোর শীর্ষে! জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় সকল তরুণ-তরুণী এবং বাংলাদেশের সকল স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।