২০ অক্টোবর দৈনিক কক্সবাজার, দৈনিক সকালের কক্সবাজার, দৈনিক হিমছড়ি ও সিবিএন- এ প্রকাশিত ‘হোয়ানকে বাড়ি নির্মাণে বাধা’ চাঁদা দাবির অভিযোগ’ শীর্ষ সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক।

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, ‘৬০ ইংরেজি ঘূর্ণিঝড়ের’ পর সংবাদে অভিযোগকারী তারেক আজিজের দাদা আমাদের পাশে অন্যজন থেকে কিছু জমি কিনে। তবে এর পাশের আমাদের দাদার অংশের জমি তিনি দখল করে ফেলেছিলেন। ওই সময় জমির মূল্য তেমন না থাকায় আমার দাদা সে ব্যাপারে সিরিয়াস হয়নি। তবে আরএস. বিএস খতিয়ান, খাজনা আদায়সহ সব কাগজপত্র আপ টু ডেট রাখেন। হিসেবে আমরা ওয়ারিশগণের নামেও বিএস খতিয়ান সৃজিত হয়। তবে জমিটি খালি থাকায় আমরা সে নিয়ে তেমন মাথা ঘামায়নি। তবে বিগত ১০ বছরের বেশি সময় ধরে আমরা আমাদের অংশের জমি ছেড়ে দেয়া অথবা কেনা মূলে আমাদের থেকে কবলা নিতে তারেক আজিজের পিতা আবুল কালাম জীবিত থাকায় অবস্থায় নানাভাবে চেষ্টা করেছি। সম্প্রতি সময়েও এই নিয়ে চেয়ারম্যান ও মেম্বারের কাছে আমরা নালিশ করেছি। এই নিয়ে চেয়ারম্যান চারবার তাদেরকে বিচারের নোটিশ দিয়েছেন। কিন্তু কোনোবারেই তারা বিচারের যায়নি। উপরন্তু আরো হেয় করেছে। আমাদের অভিযোগ তোয়াক্কা না করে সম্প্রতি তারেক আজিজ সেখানে পাকা বাড়ি নির্মাণ করার প্রক্রিয়া শুরু করে। এতে আমরা আবাারো চেয়ারম্যান ও মেম্বারের শরণাপন্ন হই। চেয়ারম্যান-মেম্বার তাদেরকে ডাকলেও তারা তাতে সাড়ে না দিয়ে উল্টো হেয় প্রতিপন্ন করেছে। শেষে আমরা হোয়ানক পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ করি। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তারেক আজিজের বাড়ি নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় এবং দু’পক্ষকে বিচারে বসতে বলেন। বিচারের বসার শর্তে আমরা দু’পক্ষই পুলিশের কাছে স্ট্যাম্প জমা করেছি। কিন্তু নির্ধারিত দিনে বিচারের যায়নি তারেক আজিজ। এর মধ্যে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে বাড়ি নির্মাণে বাধা ও চাঁদাবাজির ডাহা মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করেছে।

আমরা প্রতিবাদকারীগণ চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি- আমাদের নামে পত্রিকায় প্রকাশিত অভিযোগ শতভাগ মিথ্যা। আমরা এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এ ব্যাাপারে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি।

প্রতিবাদকারী
ছৈয়দ কবির, নূরুল কবির, জয়নাল আবেদীন, সাহেব মিয়া ও ওমর মিয়ার
হোয়ানক, মহেশখালী।