নিজস্ব প্রতিবেদক:
মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের হরিয়ারছড়ায় ভিটা দখল করে নলকূপ স্থাপনে বাধা দেয়ায় নারীসহ তিনজনকে কোপালো প্রতিবেশীরা। এতে তিনজনই গুরুতর জখম হয়ে মারাত্মক আহত হয়েছেন। তাদেরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের এই ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- হরিয়ারছড়ার প্রবাসী মোঃ ইব্রাহিম প্রকাশ সোনামিয়ার স্ত্রী কাজল মুবিন (২৮), তাদের ভাগিনা ছাদ আলী (৩৫) ও ভাতিজা হেলাল উদ্দীন (২৫)।

আহত প্রবাসীর স্ত্রী কাজল মুবিন জানান, প্রতিবেশী গোলাম কুদ্দুস তাদের স্বত্ত্ব দখলীয় ভিটা দখল করে টয়লেট স্থাপন করেছে আগে। এই নিয়ে অনেক বিচার-শালিস হয়েছে। বিচারের রায়ে টয়লেট তুলে ফেলতে বলা হলেও তা নেয়নি গোলাম কুদ্দুস। জোর করে দখল করে আছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার আকস্মিক আবারো সোনামিয়ার ভিটায় এসে নলকূপ স্থাপন করতে শুরু করে গোলাম কুদ্দুস। এতে বাধা দেন সোনামিয়ার স্ত্রী কাজল মুবিন। বাধা দিলে তাকে ইট মেরে মাটি ফেলে দেয়া হয়। পরে গোলাম কুদ্দুস তার ছেলে শাহাজাহান এবং সিরাজুল মোস্তফা ও তাদের এক বোন মিলে মাটি ফেলে বাঁশের লাঠি দিয়ে পেটায়। তা দেখে তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে ভাগিনা ছাদ আলী ও ভাতিজা হেলাল উদ্দীন। তারা এগিয়ে আসলে তাদেরকে কোপাতে শুরু করে করে গোলাম কুদ্দুস তার ছেলে শাহাজাহান ও সিরাজুল মোস্তফা। এসময় কাজল মুবিনকেও কোপায়। তিনজনেক উপর্যুপরি কোপায় হামলাকারীরা। এতে তিনজনই মারাত্মক জখম হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।

অন্য প্রতিবেশীরা তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখান থেকে তাদেরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, এই হামলার ঘটনায় তিনি অভিযোগ পেয়েছেন। এই বিষয়ে তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।