বার্তা পরিবেশক:

১০ জুলাই একটি অনলাইন পত্রিকা ও ১১ জুলাই কক্সবাজারের একটি স্থানীয় দৈনিকে ‘রামু চাকমারকুল মাদ্রাসায় মুহতামিমের অস্ত্রের মহড়া, আতঙ্ক’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও কাল্পনিক সংবাদটি দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। এটি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশবিশেষ।
মাদ্রাসা বিরোধী চিহ্নিত চক্রটি সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদটি পরিবেশন করিয়েছে।
আমি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সংবাদে অভিযোগকারী আব্দুর রাজ্জাককে নীতি পরিপন্থি বিভিন্ন অভিযোগের কারণে মাদ্রাসা থেকে তাকে বহিষ্কার হয়েছে।
বহিষ্কারের অপমান-যন্ত্রণা থেকেই ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিযোগ এনে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছেন। আদালতে মিথ্যা অভিযোগে মামলাও করেছেন।
যদিওবা জেলা জজ আদালতের আদেশে তার মামলার কার্যকারিতা নেই।
এরপরও আব্দুর রাজ্জাক দ্বীনিশিক্ষার প্রতিপক্ষ হিসেবে অবস্থান নিয়েছেন, যা খুবই দুঃখজনক।
মাদ্রাসা প্রবেশ পথ থেকে পুরো ক্যাম্পাস সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। কোথাও কোন ঘটনা ঘটে থাকলে তার প্রমান সংরক্ষিত থাকবে। রেকর্ড চেক করলে পাওয়া যাবে। অপপ্রচার করে কোন লাভ নাই।
১০ জুলাই মাদ্রাসায় এমন কোন ঘটনা হয়েছে কিনা? সাধারণ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দেখেছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সঠিক রহস্য জানা যাবে।

১০ জুলাই সকালে মাদরাসার শিক্ষকদের বৈঠকের রেজুলেশন ও উপস্থিতির স্বাক্ষর।
১০ জুলাই সকালে মাদরাসার শিক্ষকদের বৈঠকের রেজুলেশন ও উপস্থিতির স্বাক্ষর।

ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টায় মাদরাসার শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে সকল শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
এতে সর্বসম্মতভাবে জানানো হয়, বহিস্কৃত শিক্ষক মাওলানা আবদুর রাজ্জাক মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে শিক্ষকদের ক্লাস না নিতে বলেন। সরাসরি ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে অনেককে হুমকিও দিয়েছেন।
কিন্তু বহিস্কৃত আবদুর রাজ্জাক উল্টো সংবাদ প্রচার করে নিজের অপরাধ ঢাকার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এরকম ঘটনা যেমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিরোধী, তেমন ষড়যন্ত্রমূলক ও মানহানিকর।
এই মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছড়ানোর সাথে জড়িত সবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভবিষ্যতে সংবাদ প্রকাশে আরো বেশী যত্মশীল হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করছি।

মাওলানা সিরাজুল ইসলাম
মুহতামিম
চাকমারকুল মাদরাসা, রামু, কক্সবাজার্।