মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদের উপ নির্বাচনে রুস্তম আলী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। বড়ঘোপ ইউনিয়নে এখন প্রার্থী রয়েছেন ৩ জন। টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে উপ নির্বাচনে সিরাজুল ইসলাম সিকদার ও হারুনর রশিদ তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এখন হ্নীলা প্রার্থী রয়েছেন ৩ জন। চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদের উপ নির্বাচনে বৈধ ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
এছাড়া টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের উপ নির্বাচন এবং চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিলে ৯ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের মেম্বার পদের উপ নির্বাচনে বৈধ প্রার্থীদের কেউই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। মঙ্গলবার ৯ জুলাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। বিষয়টি বড়ঘোপ ইউনিয়নের রিটার্নিং অফিসার ও কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার জামসেদুল ইসলাম সিকদার, হ্নীলা ইউনিয়নের রিটার্নিং অফিসার ও টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ বেদারুল ইসলাম এবং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ উপ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সিবিএন-কে নিশ্চিত করেছেন। তাঁরা সিবিএন-কে আরো জানান, প্রত্যাহরের অফিস সময় পার হওয়ার পর চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা নিজ নিজ কার্যালয়ে টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে।
বড়ঘোপ ইউনিয়নের চুড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন-বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল কালাম, আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন চৌধুরী ও তৌহিদুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য পদত্যাগ করলে এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হয়।
চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে চুড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন-পদত্যাগী চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, মঈনউদ্দিন মোঃ সাহেদ, মোহাম্মদ ইউসুফ, রিদুওয়ানুল হক, মোহাম্মদ ইখতিয়ার উদ্দিন, মোহাম্মদ ফরিদুল আলম, রফিকুল আলম, নাজমুল হাসান।
প্রসঙ্গত, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য পদত্যাগ করলে এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হয়।
এছাড়া, চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৯ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের শূন্য হওয়া মেম্বার পদের নির্বাচনে চূড়ান্ত ৪ জন প্রার্থী হলেন-নুরুল ইসলাম, নাসির উদ্দিন, মনসুর আলম ও মোহাম্মদ ইসলাম।
টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে চুড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন-রাশেদ মোহাম্মদ আলী, জালাল উদ্দিন চৌধুরী ও মীর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। বুধবার ১০ জুলাই প্রত্যেক ইউনিয়নে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে এবং ২৫ জুলাই নির্বাচনে ভোট গ্রহন করা হবে। প্রসঙ্গত, হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ.এম আনোয়ার হোসেন চৌধুরী মাইজ্যা ইন্তেকাল করলে হ্নীলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হয়। এছাড়া, টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ১ নম্বর সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডের শূন্য হওয়া মেম্বার পদে ৩ জন চুড়ান্ত প্রার্থী হলেন-ছেনু আরা বেগম, আমিনা খাতুন ও শাহেনা বেগম। এ ওয়ার্ডের সাবেক মহিলা মেম্বারের মৃত্যুতে এ পদটি শূন্য হয়।