মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

বই কিনে কেউ কখনো দেউলিয়া হয় না। একটি সৃজনশীল বই অপরিসীম জ্ঞানের আধার। সৃজনশীল পুস্তক অধ্যয়ন জ্ঞানার্জনের সর্বোৎকৃষ্ট মাধ্যম। তাই প্রকৃত জ্ঞানার্জনের জন্য বইয়ের কোন বিকল্প নেই।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায়, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উদ্যোগে কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ দৌলত ময়দানে ১৫ জুন থেকে ২২ জুন পর্যন্ত ৮ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত ‘কক্সবাজার বইমেলা -২০১৯’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন এ কথা বলেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং বইমেলা আয়োজন কমিটির আহবায়ক মোঃ আল আমিন পারভেজের সভাপতিত্বে শানিবার ২২ জুন অনুষ্ঠিত উক্ত সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্য বক্তৃতা করেন কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কবি মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন, বইমেলা আয়োজন কমিটি’র সদস্য সচিব, সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট তাপস রক্ষিত প্রমুখ। আলোচনা পর্ব শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। পরে অতিথিরা বইমেলার স্টল সমুহ পরিদর্শন করেন। প্রসঙ্গত, সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে গত ১৫ জুন বইমেলার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। বইমেলায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মোট ৪১ টি প্রকাশনী অংশ নেয়। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন সিবিএন-কে বলেন, আগামীতে আরো বড় মাঠে বইমেলা করা হবে এবং শুকনো মওসুমে মার্চ মাসেই মেলার আয়োজন করা হবে। বইমেলা আয়োজন কমিটির সদস্য সচিব এপিপি এডভোকেট তাপস রক্ষিত সিবিএন-কে বলেন, মেলায় প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশী বই বিক্রি হয়েছে এবং মেলায় দর্শনার্থীদের আগমনও ছিল খুব বেশী। তাই মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশকগণ প্রচুর বই বিক্রি করতে পেরে সিবিএন-এর কাছে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।