সেলিম উদ্দীন, ঈদগাঁও

কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে ঈদের দিন থেকে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুন ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সড়ক উপসড়কে দিনে-রাতে যাত্রীদের জিম্মি করে ২ থেকে ৩ গুন পর্যন্ত বেশি ভাড়া আদায় করছে চালকরা। এতে পথে পথে বাকবিতন্ডা চলছে। ঈদের দিন থেকে বিভিন্ন সড়কে যানজট লেগে আছে। দ্বিতীয় দিনেও একই অবস্থা দেখা গেছে। বিশৃঙ্খলভাবে গাড়ি চালানোর কারণে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরছেনা। সড়কেই টাইম পাস করতে হচ্ছে যাত্রীদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে সদরের ঈদগাঁওতে এমন চিত্র ধরা পড়ে। তবে, সিভিল পোশাকে দুইজন পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। তারা যানজটমুক্ত করতে চেষ্টা করেছেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানায়, বুধবার থেকে ঈদগাঁওতে অধিক ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। যার কারনে দরিদ্র মানুষ পড়েছেন চরম বিপাকে। কিন্তু এ নিয়ে কারো মাথা ব্যাথা নেই। ঈদগাঁও বাস ষ্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা জানান, ষ্টেশনে পুলিশ আছে কিন্তু অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে কেউ-ই কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা।
ফলে গাড়ি চালকরা এক প্রকার বেপরোয়া হয়ে যাত্রীদের জিম্মি করে ফেলেছে।
যাত্রীদের অভিযোগ ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার ভাড়া ৪০-৫০ টাকা নেয়া হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু চট্টগ্রাম- কক্সবাজার নয়, লোকাল সড়কের টেক্সি, সিএনজি, রিক্সা ও অটোরিক্সায়ও একই অবস্থা। এছাড়া সিএনজি অটোরিক্সা চালকেরাও যাত্রীদের কাছ থেকে গলাকাঁটা ভাড়া আদায় করছে। ঈদগাঁও ষ্টেশন থেকে খুটাখালী পর্যন্ত মাইক্রো, মাহিন্দ্রা ও সিএনজি ভাড়া ১০ টাকা হলেও নেয়া হচ্ছে ১৫-২০ টাকা। খুটাখালীর বাসিন্দা আমিন বলেন, সিএনজি চালকরা ঈদের আগেই বেপরোয়া চাঁদাবাজি করছে।
অন্যদিকে ইসলামপুর নাপিতখালীর বাসিন্দা বশর বলেন, তিনি ঈদগাঁও বাস ষ্টেশনের দীর্ঘক্ষন গাড়ির জন্য অপেক্ষা করে হাঁফিয়ে উঠেছেন। গাড়ি না পেয়ে বিরক্ত হয়ে কয়েকজন মিলে অটোরিক্সায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে সেখানেও চলছে নৈরাজ্য। ইসলামপুর-নাপিতখালী- নতুন অফিস সড়কেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে এসব চালকরা।
বৃহষ্পতিবার দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে অনেক যাত্রীদের সাথে চালকদের বাকবিতন্ডা পথে পথে। এ অবস্থায় অসংখ্য যাত্রী চালকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। তারা এ থেকে মুক্তি পেতে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।