হেলাল উদ্দিন, টেকনাফ
টেকনাফ স্থলবন্দরে মে মাসেও পণ্য আমদানী কম হওয়ায় লক্ষ মাত্রার চেয়ে ৩ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার টাকা ঘাটতি রয়েছে।
টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা মো: ময়েজ উদ্দীন জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক এই মে মাসে ১৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।নতার বিপরীতে মে মাসের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পর্যন্ত ১৯৭টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১১ কোটি ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।
যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তিন কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার টাকা রাজস্ব কম আদায় হয়েছে। এই মাসে মিয়ানমার থেকে ৩৩ কোটি ৯৮ লাখ দুই হাজার টাকার পণ্য আমদানি করা হয়। অপরদিকে ৫৫টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে এক কোটি ৭৪ লাখ ৯২ হাজার টাকার পণ্য মিয়ানমারে রফতানি করা হয়। এছাড়া শাহপরীর দ্বীপ করিডোরে মিয়ানমার থেকে পাঁচ হাজার ৫৪২টি গরু, দুই হাজার ৯৮১টি মহিষ আমদানি করে ৪২ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।
তিনি জানান, মে মাসেও সীমান্ত বাণিজ্যের মন্দাভাব কেটে উঠেনি। গত চার মাস ধরে কাঠ আমদানি বন্ধ রয়েছে। প্রতি মাসে মিয়ানমার থেকে বিপুল পরিমাণ কাঠ বন্দরে আমদানি হত। এছাড়া বাণিজ্যিক পণ্য ও হিমায়িত মাছ আমদানিও আগের মত হচ্ছে না। তাছাড়া মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণ সমস্যা চলছে, সব মিলিয়ে মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি কম হওয়ায় মাসিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সীমান্ত বানিজ্যকে আরো গতিশীল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন ঐ শুল্ক কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, গেল এপ্রিল মাসেও টেকনাফ স্থলবন্দরের রাজস্ব আয়ে লক্ষমাত্রার চেয়ে ১কোটি সাড়ে ৭১লাখ টাকা ঘাটতি হয়েছিল।