এম.জুবাইদ ,পেকুয়া :

কক্সবাজারের পেকুয়ায় কলেজে ৩ জনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। মামলার আসামীরা হলেন, রাজাখালী আমিলা পাড়া এলাকার আবুল কাশেমের পুত্র আরমানুল হক প্রিন্স, বারবাকিয়া ইউনিয়নের তমিজুর রহমানের পুত্র নাজেম উদ্দিন ও সদর শেখের কিল্লা ঘোনা এলাকার মৃত মকসুদ আহমদের পুত্র উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কামরান জাদিদ মুকুট।

শুক্রবার (২৯মার্চ) সকালে গুরুতর আহত উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-ত্রাণ ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলামের মা রোকসানা মমতাজ বাদি পেকুয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। যার মামলা সং ২৪/১৯ইং।

মামলার এজাহারে বাদি উল্লেখ করেন, আরমানুল হক প্রিন্স কলেজ ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত। ঘটনার দিন ছাত্রলীগ নেতাসহ আহত অপর দুইজন মটর সাইকেল নিয়ে কলেজ রোড় পার হয়ে যাচ্ছিলেন। ওই সময় কলেজ ছাত্র ছাত্রদল নেতা আরমানুল হক প্রিন্সসহ অপর দুই আসামীর নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন দূর্বৃত্ত ছুরি নিয়ে তাদেরকে প্রতিরোধ করে। একপর্যায়ে উপর্যপুরী ছুরিকাঘাতে তাদেরকে আহত করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে সরকারী হাসপাতালে পরে চমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়। এদিকে স্থানীয়রা জানান কলেজের ঘটনায় উপজেলা যুবদলের সেক্রেটারী মুকুটের সংশ্লিষ্টতা কেন থাকবে। ঘটনার দিন সে পেকুয়ায় ছিল না বদরখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল বদরীর মিলাদ মাহফিলে গিয়েছিল সকালে তারপরও সে মামলার আসামী হলেন। সুষ্ট তদন্ত করে আসল ঘটনার ক্লু উদঘাটন করে প্রকৃত দোষীদের কে শাস্তি দেওয়ার জন্য জোর দাবী জানায় স্থাণীয়রা।

আহত সাইফুল ইসলামের ভাই সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, আমার ভাই সাইফুল ইসলাম, সাঈদ মুহাম্মদ লিয়ন ও ফোরকানের অবস্থা গুরুতর। তার মধ্যে লিয়নের অবস্থা বেশি মারাত্মক। তাদেরকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা প্রশাসনের কাছ থেকে যতেষ্ট সহযোগিতা পেয়েছি। প্রধান আসামী আটক হয়েছে।

এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ছুরিকাঘাতের বিষয়ে মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।