বিশেষ সংবাদদাতা :

টেকনাফ উপজেলা নির্বাচনে নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা ফেরদৌস আহমদ জমিরী এক বিবৃতিতে বলেন, গত ২৪ মার্চ সুষ্ঠু সুন্দর এবং নিরপেক্ষভাবে টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নির্বাচনে ৫৫ টি কেন্দ্রের কোথাও কোন ধরনের গোলযোগ হয়নি, কোন ধরনের অনিয়ম হয়নি, কোথাও কোনো সমস্যা হয়েছে এমন কোনো অভিযোগও নেই। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি সুষ্ঠু-সুন্দর নির্বাচনে তিনি তালা মার্কা নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

২৮ মার্চ তিনি এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে ১ হাজার ২৫১ ভোট বেশী পেয়ে, সর্বমোট ১৮ হাজার ৩৬৮ ভোট পেয়ে আমি ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রফিক উদ্দিন মাইক প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১৭ হাজার ১১৭ ভোট।

ওই দিন নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সহকারী রিটার্নিং অফিসার, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল হাসান স্বাক্ষরিত ফলাফল বিবরণী এই তথ্য উল্লেখ রয়েছে।

ওই নির্বাচনে উপজেলা প্রশাসন পুলিশ প্রশাসন সহ সরকারের সকল আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যদের আন্তরিকতাপূর্ণ দায়িত্ব পালন নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি ছিল নজিরবিহীন। তিনি এজন্য উপজেলা প্রশাসন পুলিশ প্রশাসন সহ সরকারের সকল আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং ভোটারদের কে আন্তরিক মোবারকবাদ জানান।

তিনি বলেন, এই নজিরবিহীন নির্বাচনের পরেও আমার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যাওয়া রফিক উদ্দিন কিছু উদ্ভট এবং হাস্যকর অভিযোগ করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। যা হাস্যকর শুধু নয় আপত্তিকরও বটে।

সুষ্ঠু সুন্দর ও নজিরবিহীন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য মৌলবী রফিক উদ্দিনের ভাষায় তথাকথিত ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রশাসন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করে বলে যে হাস্যকর এবং বিকৃত মস্তিষ্কের কথা বলেছেন তার নিন্দা করার ভাষা আমার নেই।

অথচ মৌলবী রফিক উদ্দিন ও তার ভাই স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ উদ্দিন সহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা অবৈধ প্রভাব
খাটিয়ে বাহারছড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়ম করে ভোট
আদায় করার অভিযোগ রয়েছে।

এমনকি বাহারছড়ার নোয়াখালী কেন্দ্রে ভোট কেন্দ্র দখল করতে গিয়ে
আমার মেয়ে ফারহানাকে লাঞ্চিত করে কেন্দ্র থেকে বের করে দিলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় জনগণের প্রতিরোধের মুখে তারা তখন কেন্দ্র থেকে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে।

মৌলবী রফিক উদ্দিন ও তার ভাই আজিজ উদ্দিন এই সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে সরকারের মহৎ উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছেন। আমি টেকনাফের নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে তার এই অপপ্রয়াসের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।