মো: জালাল , পেকুয়া :
পেকুয়ার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দায়ীত্বরত কতিপয় প্রশাসনের সুদুর চক্রান্তের মাধ্যমে ও আওয়ামী নামধারী কিছু জেলা,উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের খোন্দকার মোস্তাক ও মীর জাফরদের সূদুর প্রসারী চক্রান্তে নৌকাকে পরাজিত করেছেন।তাদের এ নেতিবাচক কমকান্ডের কারণে আওয়ামীলীগের কর্মীরাসহ সাধারণ সচেতন ভোটাররা ভোট দিতে পারেনি এমনকি নৌকা মার্কার চীফ এজেন্ট টইটং ইউপি’র চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী পর্যন্ত ভোট দিতে পারেনি বলে আলোচনা সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা।

বক্তারা আরো অভিযোগ করে বলেন মগনামার ৫টি,টইটংয়ের ৩টি ও বারবাকিয়ার ৩টি ভোট কেন্দ্রে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের ভোট কেন্দ্রে যেতে ও ভোট প্রদানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে এমন দাবীও নির্বাচনে দায়ীত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনে কতিপয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রহস্যজনক আচরণের ইঙ্গিত করেন। স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভার আলোচনায় একপর্যায়ে প্রতিবাদ সভায় রূপ নেয়।

গত ২৬মার্চ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় পেকুয়া বাজারস্ত দলীয় কার্যালয়ে ছাত্রনেতা মোঃ ইলিয়াছের পবিত্র কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যামে ও উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহ নেওয়াজ চৌধুরী বিটুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেমের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত আলোচনায় সভার শুরুতে রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন বিসর্জনকারী যোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও মাগফেরাত কামনা করা হয়। সভায় বক্তারা আরো বলেন সদ্য অনুষ্টিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওঅমীলীগের পদ-পদবীধারী যে সমস্ত নেতারা নৌকার বিপক্ষে কাজ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত সময়ে কঠোরভাবে শাস্তিমুলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা দাবী উত্তাপন করা হয়।নির্বাচন পরবর্তি বিজয় উৎসবের নামে গাড়িবহর নিয়ে নৌকার প্রার্থী আবুল কাসেমসহ আওয়ামীলীগের নেতাদের বিরুদ্ধে কঠুক্তি ও উসকানিমুলক আচরণের প্রতিবাদ জানানো হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের আচরণ করা হলে তা হস্তে মোকাবেলা করা হবে বলেও হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন।পাশা পাশি প্রশাসনের প্রতি ঐ সমস্ত কুলাঙ্গার সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার দাবী জানানো হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহসভাপতি সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম,টইটং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্পাদক ও চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম,সদর সভাপতি আযম খান,শীলখালীর সম্পাদক বেলাল উদ্দিন,বারবাকিয়ার সম্পাদক কামাল হোসেন,মগনামার সম্পাদক রশিদ আহমদ,মগনামার প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা আফতাব উদ্দিন বাবুল,উজানটিয়ার সভাপতি তোফাজ্জল করিম,রাজাখালীর সম্পাদক আবুল কাশেম আযাদ,রাজাখালীর চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর ও সদর ইউপি’র প্যানেল চেয়ারম্যান সাবেক ছাত্রনেতা এম মাহবুল করিম প্রমুখ।সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি এম ওসমান গণি মেম্বার,যুবলীগ সহসভাপতি জিয়াবুল হক জিকু,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জালাল উদ্দিন,ছাত্রলীগ সভাপতি কপিল উদ্দিন বাহাদুর,আওয়ামীলীগ নেতা মাহাবু ফকির,এলাহাদাদ,জাহাঙ্গীর,হেলাল  উদ্দিন,নাছির,হারুণ,নুরমোহাম্মদ,আকতার, যুবলীগ নেতা ফরহাদুজ্জামান,আবদুল করিম,হোসাইন মোঃ বাদশা,রিদুয়ান,মামুন,মনছুর,জয়নাল আবেদীন,আনোয়ার,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শহিদুল ইসলাম শাহেদ,ছাত্রলীগ নেতা জকরিয়া,আমিনুর রশীদ,মঈন উদ্দিন,ইয়াছিন সোহেলসহ প্রমুখসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে দলীয় কার্যালয়ে তিল ধারণের ঠাই ছিলনা ঐ আলোচনয় সভায়।।