সংবাদদাতা:

বিগত ২০১৫/১৬/১৭ সালে গরু চুরির হিড়িক পড়ে কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে। যখন আতংকের অপর নাম ছিল গরুচুরি। প্রশাসনের পক্ষেও প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছিল না। ঠিক তখনই এই ভয়াবহ গরু চুরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল এক যুবক। জনতার সহযোগিতায় পাহারা দিতে শুরু করে রাত-দিন। প্রশাসনকে দেয় সার্বিক সহযোগিতা। এভাবে চলতে থাকলে ঠিক কিছুদিন পরে তৎকালিন আইসি খাইরুজ্জামান এর সহযোগিতায় বিখ্যাত গরুচোর সিন্ডিকেট প্রধান ফরহাদকে গরুসহ আটক করতে সক্ষম হয়। পরে পুলিশের সাথে বন্ধুকযুদ্ধ ও গণধোলাইয়ে মারা যায় ফরহাদ। ফলে বন্ধ হয়ে যায় গরু চুরি। কিন্তু বছরখানেক পরে আবারো শুরু হয়। তবে তা ছিল তুলনামূলক কম। সেই অধ্যায়ের নায়ক ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ঈদগাঁও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক কাইয়ুম উদ্দিন। যিনি একমাত্র প্রার্থী যার সুচনা হয়েছিল জনগণের জন্যে ঝুঁকি নিয়ে। বিভিন্নভাবে হুমকির সম্মুখীন হয় ডাকাত দলের। তবুও পিছপা হতে নারাজ এই সাহসী যুবক। যিনি এরকম সমাজের সকল অসঙ্গতির বিরুদ্ধে কাজ করতেই জনপ্রতিনিধি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কাইয়ুম উদ্দিন বলেন, জনপ্রতিনিধিরা তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নয়। যার কারণে সমাজে চুরি, ডাকাতির মত ঘটনা আমরা দেখতে পায়। অথচ এর দায় জনপ্রতিনিধিরা এড়িয়ে যেতে পারে না। কিন্তু তাদের কোন মাথাব্যথা নেই। তাই জনপ্রতিনিধির কাতারে থেকেই চুরি, ডাকাতিসহ সকল অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুঁখে দাঁড়াতে চাই। সদরের সর্বস্তরের মানুষ সহযোগিতা করলে ইনশাআল্লাহ চশমা মার্কার বিজয় নিশ্চিত। কাইয়ুম উদ্দিন বলেন, আপনাদের সেবক হতে আমি নির্বাচন করছি। যদি নির্বাচিত হই আমি আপনাদের এটুকু কথা দিতে পারি যে, সমস্ত অসঙ্গতির দায় মাথায় নিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করে যাব। ইনশাআল্লাহ।