মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন যেকোন ভাবেই হোক সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত করা আমার জন্য একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। সেজন্য সম্মানিত প্রার্থী, ভোটারদের কথা দিয়ে কথা রাখতে পেরে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি। সাধুবাদ জানাচ্ছি-নির্বাচনে দায়িত্বপালকারী সকল পক্ষকে। যারা অমানবিক পরিশ্রম, অনেক ত্যাগ ও ঝুঁকি নিয়ে নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও গ্রহনযোগ্য করে তুলেছেন। কথাগুলো সিবিএন-কে অকপটে দৃঢ়তার বলছিলেন-কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম। তিনি বলেন, অনেক বাহ্যিক চাপের মাঝেও কোন নথি স্বীকার নাকরে ইনশাল্লাহ ভোটারদের দেয়া ওয়াদা রক্ষা করার প্রাণান্ত চেষ্টা করেছি। রাষ্ট্রর দায়িত্বকে পবিত্র আমানত হিসাবে মনে করে সাংঘাত ও ভীতিমুক্ত পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়াস ছিল সবসময়। এসপি এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম বলেন-পন্ঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চকরিয়া উপজেলা নির্বাচন ছিল কক্সবাজার জেলার প্রথম উপজেলা। এজন্য চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে একটি মডেল হিসাবে নিয়েছিলেন উল্লেখ করে এসপি এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম বলেন-দৃঢ় মনোবল, আল্লাহতায়লার অসীম রহমত আর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রেরনাকে সাহস হিসাবে নিয়ে সফলতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে অনুষ্ঠিতব্য কক্সবাজার জেলার অবশিষ্ট ৭ টি উপজেলাতেও একইরকম সন্ত্রাসমুক্ত, ভীতিমুক্ত, প্রভাবমুক্ত ও ভোটারবান্ধব পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সার্বক্ষণিক চেষ্টা চালিয়ে যাবো। তিনি এজন্য প্রার্থী, ভোটার, নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত রাষ্ট্রের সকল পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন-পুলিশ জনগণের বন্ধু হিসাবে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনে বিশ্বাসী। সোমবার ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে জেলার অবশিষ্ট উপজেলা পরিষদ গুলোর নির্বাচন কেমন হবে, সেটা ইতিমধ্যে সকল পক্ষ উপলদ্ধি করতে পেরেছে। চকরিয়ার এই ম্যাসেজ প্রার্থী, সম্মানিত ভোটার সহ সকলে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।