নিজস্ব প্রতিবেদক:
সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় নিজপুত্র ও নাতির হাতে মার খেলেন আশি বছরের বৃদ্ধ। বাধা দিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে বৃদ্ধের অপর পুত্র। উক্ত ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে সদরের পিএমখালীর মাছুয়াখালী বাজারপাড়া এলাকায়। উক্ত কুপুত্র পিতাকে হামলা চালিয়ে ক্ষান্ত হয়নি ভেঙ্গে দিয়েছে বাড়িও। পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুর রহিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিএমখালীর মাছুয়াখালী বাজারপাড়ার নুর আহমদ (৮০) বাড়িতে উঠানে কাজ করার সময় হঠাৎ তার পুত্র ফরিদুল আলম এবং বৃদ্ধের নাতি ফরিদুল আলমের পুত্র রেজাউল করিম খালি জুডিশিয়্যাল স্টাম্পে টিপসই দিতে চাপ প্রয়োগ করে। বৃদ্ধ অপরপুত্রদের ছাড়া টিপসই দিতে অস্বীকৃতি জানালে বৃদ্ধাকে লাঠি দিয়ে বেদম প্রহার করতে থাকে। বৃদ্ধের কান্না শোনার পর বাড়ির ভেতর থাকা অপর পুত্র জাহেদুল ইসলাম দৌড়ে আসলে তাকে ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। শোরগোল বেড়ে গেলে লোকজন দৌড়ে আসার পর ফরিদ ও তার পুত্র রেজাউল পালিয়ে যায়। আহত জাহেদ ও পিতা নুর আহমদ স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে স্থানীয় চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুর রহিমকে জানায়।

চেয়ারম্যান জানান, আহত পিতা – পুত্র আমার কাছে সন্তানের বিরুদ্ধে বিচার নিয়ে এসেছিল। আমি লিখিতভাবে পরিষদে বিচার দিতে বলেছি ।  সোমবার পরিষদে এ বিচার হবে বলে তিনি জানান।

আহত জাহেদুল আলম জানায়, তার বড় ভাই ফরিদ ও তার পুত্র রেজাউল বাবাকে জমি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। বাবা সব ছেলেকে না জানিয়ে জমি দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় এ ঘটনা ঘটিয়েছে এবং বাড়ির ভাংচুর করেছে। এর আগে রেজাউল আমার মা আনোয়ারা বেগমকে ও মাথা ফেটে দিয়েছিল। আহত আশি বছরের নুর আহমদ কুলাঙ্গার পুত্র ও নাতির সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।