মোহিব্বুল মোক্তাদীর তানিম :

এশিয়ার স্থপতিদের সংগঠন ARCASIA (আর্ক এশিয়া) র স্থাপত্য সম্মাননা জিতলেন কক্সবাজারের কৃতী সন্তান স্থপতি আসিফ আহসানুল হক। গতকাল বুধবার জাপানের রাজধানী টোকিওতে তার নিজের প্রতিষ্ঠান ভিয়েনা আর্কিটেক্ট এর পক্ষ থেকে তিনি এই সম্মাননা নেন। তার ডিজাইন করা কক্সবাজারের ‘রিজিয়া পরম্পরা’ প্রকল্পের জন্য তাকে “মাল্টি ফ্যামিলি” ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়েছে। তিনদিন ব্যপী ARCASIA 2018 সম্মেলনের সমাপনী দিনে আজ এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এশিয়ার সৃষ্টিশীল ও খ্যাত স্থপতিরা এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য আর্ক এশিয়ার এই পুরস্কারের জুরিবোর্ডে এশিয়ার নামকরা বিখ্যাত স্থপতিরা ছিলেন। আসিফ আহসানুল হকের এই অর্জন শুধু কক্সবাজার নয়, পুরো দেশের জন্যই সম্মান ও গর্বের।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে তিনি ৮ম বার্জার এওয়ার্ড ফর এক্সসিলেন্স ইন আর্কিটেক্চার জিতেছিলেন “মাল্টি ফ্যামিলি রেসিডেন্স ক্যাটাগরি’তে ও ২০১৪ সালে “৬ষ্ঠ বার্জার এওয়ার্ড ফর এক্সসিলেন্স ইন আর্কিটেক্চার” এর “সিঙ্গেল ফ্যামিলি রেসিডেন্স” ক্যাটাগরীতে ও পুরস্কার অর্জন করেন।

বর্তমান সময়ের দেশের সফল এ স্থপতি ঢাকা শহ দেশের বিভিন্ন শহরের অনেক সুন্দর স্থাপত্যে তার প্রতিভার ছাপ রেখেছেন।

তিনি কক্সবাজারের প্রবীণ আইনজীবী মরহুম মোমতাজুল হক ও মরহুম রিজিয়া বেগম এর কনিষ্ট পুত্র। উনার বাবা মরহুম মোমতাজুল হক ১৯৩৬ সালে কসউবি থেকে মেট্টিকুলেশন পাশ করেন। আসিফ আহসানুল হক ১৯৯১ সালে কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি পাশ করেন। উনার বড় ভাই মরহুম এ জি এম সালাহউদ্দিন কক্সবাজারের অন্যতম জনপ্রিয় ও সাদামনের শিক্ষক ছিলেন ।

আর্ক এশিয়ার অফিসিয়াল সাইটে বলা হয়েছে এ পুরস্কারের মাধ্যমে এশিয়ার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সহ মানব সভ্যতার মানোন্নয়নে অবদান রাখার স্বীকৃতি এই পুরস্কার।

দুই কন্যা সন্তানের জনক আসিফ স্থাপত্যে পড়ালেখা করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্থপতি স্ত্রী আরিফা আকতার কান্তা’র সংগে মিলে গড়েছেন নিজের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান ভিয়েনা আর্কিটেক্ট।