শাহিদ মোস্তফা শাহিদ,কক্সবাজার সদর:
রামু বাইপাশ এলাকার বাসের টিকেট বিক্রেতার হাতে রক্তাক্ত হয়েছে এক কলেজ ছাত্র।সংগঠিত ঘটনা উত্তাল পরিস্থিতি বিরাজ করছে কলেজ ক্যাম্পাস ও সহপাঠী মাঝে।ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করা যায়নি এখনো। ঘটনাটি ঘটে ১২ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টার দিকে। আহত ছাত্র সদরের জালালাবাদ ইউনিয়নের বাহারছড়া এলাকার নুরুল আজিমের পুত্র ও রামু ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র আজিজুর রহমান (১৭) বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আহত আজিজ কলেজ ছুটির পর বাইপাস এলাকায় এসে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিল।পরক্ষনে চট্টগ্রাম মুখী একটি এস আলম পরিবহনের বাস আসলে উক্ত বাসে সে উঠার চেষ্টা করে।এ সময় বাসের হেলফার বাধা প্রদান করে এবং গাড়ীতে আরো ৫ জন কলেজ ছাত্র আছে বলে জানায়।তখন আজিজ কলেজের অন্য ছাত্র বাসে আছে কি না দেখতে চাইলে ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেয়।এতে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটি হয় এক পর্যায়ে হাতাহাতির রূপ নেয়।এ সময় এস আলম বাসের সামান্য গ্লাস ভেঙ্গে গেলে রামু কাউন্টার ম্যানেজারের নেতৃত্বে আরো ৬/৭ জন দুর্বৃত্ত লোহার রড, হাতুড়ী, গাছ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে।
খবর পেয়ে রামু কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল হকের নেতৃত্বে অন্যন্যা শিক্ষক ও তার সহপাঠীরা এসে উদ্ধার করে প্রথমে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরনের নির্দেশ দেন। বর্তমানে আহত আজিজ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল হক জানায়,এভাবেই একজন কলেজ ছাত্রকে পিঠানো কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।সে দোষ করলে আমরা ছিলাম! আমাদের কে না জানিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া মানে কি? আমরা দুর্বৃত্তদের যথাযথ শাস্তি চাই।আহত আজিজের বড় ভাই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র সেলিম উল্লাহ জানায়, সংগঠিত ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে তাকে মারধরের বিষয়টি সহপাঠীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন তার সহপাঠী জানায়,এ ঘটনার সুস্থ সমাধান না হলে আগামীকাল শনিবার থেকে লাগাতার আন্দোলন ঘোষনা করা হবে।এসব বিষয়ে জানার জন্য অভিযুক্ত বাশ কাউন্টার ম্যানেজারের সাথে যোগাযোগের জন্য কয়েকবার কল করা হলেও রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।