সু চি’র ভাষণে চার মিথ্যা

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেখানকার সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর দেশটির সামরিক বাহিনীর নৃশংস নির্যাতন শুরু হয়েছে গত ২৫ আগস্ট থেকে। এর তিন সপ্তাহ পর এসে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন দেশটির ক্ষমতাসীন দলের প্রধান নেত্রী অং সান সু চি। তবে তার এই বক্তব্যে মিথ্যা তথ্য, সত্যকে লুকানোর প্রয়াস ও সামরিক বাহিনীকে আড়াল করার চেষ্টা অত্যন্ত প্রকট হয়ে ধরা পড়েছে।
প্রায় আধা ঘণ্টার ভাষণে সু চি কমপক্ষে চারটি মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। তার দেওয়া আরও একটি তথ্য সন্দেহজনক। ভাষণে তিনি রাখাইনের ভয়াবহ মানবিক সংকটময় পরিস্থিতিকে ‘মিয়ানমারের অনেকগুলো সমস্যার একটি’ বলে অভিহিত করেছেন। এছাড়া, সামরিক বাহিনীর অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করেননি এই ভাষণে।
সু চি’র দেওয়া মিথ্যা ও সন্দেহজনক তথ্য
সু চি তার বক্তব্যে বলেছেন, রাখাইন রাজ্যে ৫ সেপ্টেম্বর থেকে সামরিক বাহিনীর অভিযান বন্ধ আছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা একটি তথ্য। কারণ, সেপ্টেম্বর ১৩ তারিখেও মিয়ানমার সীমান্তে আগুন জ্বলতে ও ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। ৪০ জনেরও বেশি রাষ্ট্রদূত ওই দিন কক্সবাজার সফরকালে এ পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করেছেন। এছাড়া, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও প্রতিদিনই মিয়ানমারে সহিংসতার রিপোর্ট করেছে।
ভাষণে সু চি বলেছেন, রাখাইনে সবার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের সুযোগ-সুবিধা আছে। কিন্তু ২০১২ সাল থেকেই শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গারা।
সু চি তার দেওয়া ভাষণের এক পর্যায়ে বলেন, ৫০ শতাংশ রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে গেছে। কিন্তু রাখাইনে ২৫ আগস্ট থেকে নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ার পরই গত তিন সপ্তাহে বাংলাদেশে চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে এসেছে। আগে থেকেই বাংলাদেশে অবস্থান করছে আরও প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা। অর্থাৎ, কেবল বাংলাদেশেই আছে কমপক্ষে আট লাখ রোহিঙ্গা। সু চি’র বক্তব্য সঠিক হলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মোট সংখ্যা হওয়া উচিত ১৬ লাখ। কিন্তু তারা নিজেরাই বলে থাকে, রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১১ লাখ।
সু চি বলেছেন, মুসলিমরা মিয়ানমার থেকে কেন দলে দলে পালিয়ে যাচ্ছে, সেটি তার কাছে রহস্যজনক একটি বিষয়। তিনি নিজেই এর কারণ জানতে চান। রাখাইনে সহিংসতা শুরুর তিন সপ্তাহ পর এসে যদি তিনি দলে দলে মুসলিমদের পালিয়ে যাওয়ার কারণ খুঁজতে চান, তবে এতদিন তার সরকার রাখাইন নিয়ে এতগুলো বিবৃতি কিভাবে দিলো?
মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান এই নেত্রীর বক্তব্যে উঠে আসা আরেকটি সন্দেজনক তথ্য হলো, তিনি কূটনীতিকদের রাখাইন সফরের কথা বললেও মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা ও মিডিয়াকে ঢুকতে দেওয়ার কথা বলেননি। এ মাসের প্রথম দিকে মিয়ানমার সরকারের অধীনে একটি মিডিয়া দল সেখানে গেলে তারা মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর হামলার চিত্র দেখতে পান।

সর্বশেষ সংবাদ

ঈদগাঁওতে জমছে নিবার্চনী লড়াই : ভোট ব্যাংকে আঘাত হানতে মরিয়া প্রার্থীরা

৪০ হাজার ‘নিষিদ্ধ’ সিগারেটসহ দুই রোহিঙ্গা আটক

নিউজিল্যান্ডের প্রধান পত্রিকাগুলোর প্রথম পাতায় ‘সালাম’

নিউজিল্যান্ডে জুমার নামাজ সরাসরি সম্প্রচার, বিশ্বজুড়ে তোলপাড়

২৩ মার্চ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস : কক্সবাজারে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ

আচরণবিধি লঙ্ঘন, মহেশখালীতে দুই প্রার্থীকে জরিমানা

কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

কক্সবাজারে সাংবাদিকের মোটর সাইকেল চুরি

সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও জবর-দখলমুক্ত নিরাপদ পেকুয়া গড়তে চান আবুল কাশেম

ভাসানচরে পুনর্বাসনকে স্বাগত জানালো ইউএনএইচসিআর

নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে বই মার্কাকে বিজয়ী করুন: রশিদ মিয়া

শেখ হাসিনার মনোনিত প্রার্থী জুয়েলকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন : মেয়র মুজিবুর রহমান

বঙ্গবন্ধু প্রেমিকেরা কোনদিন নৌকার সাথে বেঈমানী করতে পারেনা

কক্সবাজার শহরে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় সংবাদকর্মীর উপর হামলা

উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক কোরক বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক নুরুল আখের

উপজেলা পর্যায়ে আবারও শ্রেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক পদ্মলোচন বড়ুয়া

কক্সবাজার মার্কেট মালিক ফোরাম গঠিত

লাকড়ি চুরির আপবাদে দুই শিশুকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

কক্সবাজারের ৬ টি উপজেলায় রোববার সাধারণ ছুটি ঘোষণা

নবীন আইনজীবীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে ন্যূনতম ৫ বছর ভাতা দেয়া উচিৎ : ব্যারিস্টার খোকন