নিউজ ডেস্ক:
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন এবং ত্রাণ তৎপরতা সমন্বয়ে বাংলাদেশ সরকার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক সভায় এ সব কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। সভায় জানানো হয়, রোহিঙ্গাদের জন্য অতিরিক্ত ১৪ হাজার আশ্রয়স্থল নির্মাণ করবে সরকার। কুতুপালংয়ের কাছে ২ হাজার একর জমিতে এ সব আশ্রয়স্থল নির্মাণ করা হবে।

সভায় আরো জানানো হয়, ত্রাণসামগ্রী মজুত ও রক্ষণাবেক্ষণে আশ্রয়স্থলের কাছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) ১৪টি ওয়্যারহাউজ নির্মাণ করবে।ডব্লিউএফপি ও অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতায় আগামী ৪ মাসে ৪ লাখ শরণার্থীর খাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। এনজিও, বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তিকে ত্রাণসামগ্রী সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করবে। পরে জেলা প্রশাসক এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণের ব্যবস্থা করবেন।

তথ্য মন্ত্রণালয় শরণার্থীদর সহায়তার জন্য আগ্রহী ব্যক্তি ও সংস্থাকে তাদের অর্থ বা ত্রাণসামগ্রী কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর সম্পর্কিত প্রচারণা টিভি স্ক্রল ও দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা করবে। মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রচারণার জন্য এমওডিএমআর/ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে সমন্বিত ও সর্বশেষ ত্রাণ তৎপরতার তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রচারের ব্যবস্থা করবে। সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, অধিদফতর ও সংস্থা শরণার্থী সংক্রান্ত বিষয় সমন্বয়ের জন্য সমন্বয়কারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে।

পাসপোর্ট বিভাগের ডিজি দ্রুততার সঙ্গে নতুন আশ্রয় প্রার্থীদের নাম নিবন্ধন করবেন। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগকে অবশ্যই অবিলম্বে ক্যাম্প এলাকায় কাজ শুরু করতে হবে। ২০টি অতিরিক্ত মেডিকেল ক্যাম্প অবিলম্বে আশ্রয় এলাকায় অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের কাজ শুরু করবে।

আগত লোকদের নিকটবর্তী নতুন আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানোর কাজ সমন্বয় করবে আরআরআরসি। আশ্রয় প্রার্থীরা যাতে ক্যাম্পের বাইরে যেতে না পারে তাও মনিটর এবং দেখভাল করবে আরআরআরসি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •