মেরিন ড্রাইভ সড়কের জমির টাকা উত্তোলনে অনিয়ম

আব্দুল আলীম নোবেল:

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কে অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে প্রকৃত জমি মালিকরা। খোদ প্রধানমন্ত্রী গত ৬ মে মেরিন ড্রাইভ সড়ক উদ্ধোধন করে গেলেও এখন জমি অধিগ্রহনের টাকা পায়নি শত শত জমির ওয়ারিশ। এর মাঝে একজনের জমি অন্যজনের নামে,ভুল নোটিশ প্রধান,জমির শ্রেণী পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সমস্যা,জমি থাকা সত্বেও কোন নোটিশ না পাওয়া,ফাইল জটিলতা, জমির সঠিক পরিমান না আসা, কিছু ক্ষেত্রে জমি অধিগ্রহণ হয়েও কোন কাগজ পত্র না পাওয়া, দালাল চক্রের অপতপরতা, অফিসের কার্মচারিদের অনিয়ম ও দুরব্যবহারসহ নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে প্রকৃত জমি মালিকারা। কিছু আসাধু সার্ভেয়াও ও কানগোসহ বেশ কিছু দালাল চক্রের কারণে এমনটি হচ্ছে বলে সূত্রে জানাগেছে।

টেকনাফ উপজেলা বড়ডেইল মৌজার মারিশবনিয়া এলাকার বাসিন্দা জমি মালিক মো. শামসুল আলম জানান,বি.এস খতিয়ান নং-১৬ বি.এস ২০০১ নং দাগের আন্দর০.০৭২৭ একর জমির ওয়ারিশ সূত্রে প্রকৃত মালিক হওয়া সত্বেও ওয়ারিশের নামে কোন ধারার নোটিশ হয়নি তাদের। অতচ সম্পূর্ণ দাগ খতিয়ান,টেস্য ম্যাপ মুলে মেরিন ড্রাইভ সড়কে উপর তাদের জমি পড়েছে। অপর দিকে রোয়েদাদ নং-১৩৮.যার এল এ মামলা নং-০৮/২০১৪-২০১৫. যে খানে তাদের ওয়ারিশের নামে নোটিশ হওয়ার কথা সেখানে কথিত আজিজুর রহমান,ছৈয়দুর রহমা,ছবর মিয়া,নুরুল ইসলাম,রহিমা খাতুন,কালা ভানু, ফরিদ ভানুর নামে এই পর্যন্ত ৭ ধারার নোটিশ জারি করা হয়েছে। কি করে এত বড় অনিয়ম হয় এমন প্রশ্ন ভোক্তভোগিদের। এঘটনায় জমি মালিক মো.শামসুল আলম ও আব্দুল হামিদ স্বাক্ষরিত কক্সবাজার ভুমি অধিগ্রহন কর্মকর্তা বরাবরে গত ২৭ আগষ্ট একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছে। এর পরেও রহস্যজনক কারণে এটির কোন সুরহা হয়নি। উল্টো ওই চক্রের লোকজনের সহযোগিতায় গত শনিবার জমি সার্ভে করতে যায় ওই এলাকায়। ওই সময় প্রকৃত মালিক পক্ষের লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে সটকে পড়ে জমি সার্ভে করতে যাওয়া লোকজন।

এই বিষয়ে কক্সবাজার ভুমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা (এলও) আবু আসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, যারা কাগজে পত্রে জমির মালিক তারাই মুলত জমি পাবে। অন্য কেউ এই জমির মালিক হতে পারে না।

বড়ডেইল মৌজার দায়িত্বে থাকা কানুনগো আব্দুল বাতেনের সাথে কথা বলে তিনি জানান, এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাহলে এই কানুনগোর কাজ কি এমন প্রশ্ন অনেকের। বিষয়টি রহস্যজনক কোনভাবে এই কানুনগো দায় এড়াতে পারে না। অপর দিকে সার্ভেয়ার এমদাদুল হকের সাথে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোহ করে ফোন রিসিভ করেননি তিনি।

মহেশখালী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের টাকা উত্তোলনের বিষয়ে দুর্নীতি করায় কক্সবাজারের সাবেক ডিসি,এডিসিসহ আরো বেশ কয়েক জন কর্মকর্তা জেলে গেলেও এখনও গাপটি মেরে বসে আছে আরেক দুর্নীতিবাজ চক্র। এক্ষেত্রে অনিয়ম ঠেকাতে জেলা প্রশাসক কঠোর হলেও এখনও হয়রানির শিকার হচ্ছে প্রকৃত জমি মালিকরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জমি মালিক জানান, নানা জটিলা দেখিয়ে দিনের পর দিন ঘুর ঘুর করতে হয় নিরহ ও সাধরণও জমি মালিকদের। দালাল চক্রের সাথে আতাত করলেও কাজ হয়ে যায় খুব দ্রুত। এমন অনিয়ম ঠেকাতে আরো জোরালো ভুমিকা কামনা করছেন সচেতন জমির ওয়ারিশগণ।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

নুরুল আলম বহদ্দারের কবর জিয়ারত করলেন লুৎফুর রহমান কাজল

জীবনের প্রথম প্রচেষ্টাতে ঈর্ষনীয় সাফল্য মৌসুমীর

এলআইসিটি বেস্ট অ্যাওয়ার্ড পেলো চবি শিক্ষার্থী নিপুন

খরুলিয়ায় মাদকবিরোধী মতবিনিময় সভা

ঈদগাঁও-খুটাখালী থেকে দিনদুপুরে কাঠ পাচার!

কর্মসুচিতে যোগ দিতে ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম আসছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

টেকনাফ উপজেলা যুবদলের সম্মেলনকে ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য : চাপিয়ে দেয়া কমিটি মানবে না!

 বিচার শুরুর অপেক্ষায় খালেদা জিয়ার আরও ৭ মামলা

অক্টোবর থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু

প্রধানমন্ত্রীকে আল্লামা শফীর অভিনন্দন

রাত ১০-১১টার পর ফেসবুক বন্ধ চান রওশন এরশাদ

আফগানদের কাছে বাংলাদেশের শোচনীয় পরাজয়

আজ পবিত্র আশুরা

দেশের স্বার্থেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন : প্রধানমন্ত্রী

সরকারের শেষ সময়ে আইন পাসের রেকর্ড

রাঙ্গামাটিতে ঘুম থেকে তুলে দু’জনকে গুলি করে হত্যা

শেখ হাসিনার গুডবুক ও দলীয় হাই কমান্ডের তরুণ তালিকায় যারা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে ‘ধোঁয়াশা’ কাটবে এ মাসেই

বিষাদময় কারবালার ইতিহাস

পবিত্র আশুরা : সত্যের এক অনির্বাণ শিখা