হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ :

টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ থেকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে সহযোগিতা করার দায়ে ২৫ জন দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। তম্মধ্যে ১ জনকে ১৫ দিনের ৩ জনকে ১ মাসের এবং ২১ জনকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম সাজা দেয়া হয়েছে। তাছাড়া শাহপরীরদ্বীপে বিক্ষুদ্ধ জনতা ৩টি ট্রলার পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক এবং টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশণার (ভুমি) প্রণয় চাকমা পৃথকভাবে দন্ডাদেশ প্রদান করেন। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশণার (ভুমি) প্রণয় চাকমা ১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শাহপরীরদ্বীপসহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও কোস্টগার্ডসহ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এদেরকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

১৫ দিনের দন্ডপ্রাপ্ত ১ জন হলেন শাহপরীরদ্বীপ মাঝেরপাড়া নুর হোসেনের পুত্র মোঃ শরীফ (৩০)। নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মৃত আমির হোসেনের পুত্র মোঃ হাসান (৩৩), হোয়াইক্যং উঞ্চিপ্রাং নুরুল ইসলামের পুত্র মোঃ বাবুল (৩৫), চন্দনাইশ গাছবাড়িয়া উত্তর কাশিমপুর মৃত সুলতান আহমদের পুত্র আবু তালেব (৫৬), রাউজান আজিমপুর মৃত আজিজুল হকের পুত্র হাসানুল হক (৩৮), টেকনাফের হ্নীলা মৌলভীবাজার নুরুল আলমের পুত্র মোঃ রফিক (২৫), হোয়াইক্যং পশ্চিম মহেশখালীয়াপাড়া মোঃ শরীফের পুত্র আজিজুল হক (২১), টেকনাফ পৌরসভা পুরান পল্লানপাড়া মকবুল আহমদের পুত্র ছৈয়দ হোসেন (২৪)। এই ৭ জনের প্রত্যেককে ৬ মাস করে বিনাশ্রম সাজা দেয়া হয়েছে। শাহপরীরদ্বীপের আবুল হোসেনের পুত্র মোস্তাক আহমদ (৪২), মৃত ওমর আলীর পুত্র মোঃ ফয়েজ (৩৫) এবং কালা মিয়ার পুত্র মোঃ হাছান (২২) এই ৩ জনকে ১ মাস করে বিনাশ্রম সাজা দেয়া হয়েছে।

এছাড়া আরও ১৪ জনকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। এরা হলেন শাহপরীরদ্বীপের আলী হোছনের পুত্র কামাল হোছন (৪৫),কবির আহমদের পুত্র দিল মোহাম্মদ (২৫), মৃত মকবুল আহমদের পুত্র নুর আহমদ (৫৮), মৃত ছিদ্দিক আহমদের পুত্র আবুল কাসেম (৪৮), মৃত আবুল হাসেম ভুইয়ার পুত্র আলী হোসেন (৪৫), মৃত আলী হোসেনের পুত্র কাদের হোসেন (৪৫), সুনা মিয়ার পুত্র হারুনুর রশিদ (২৫), হাবিবুল্লাহর পুত্র সানাউল্লাহ (১৯), মৃত সুলতান আহমদের পুত্র নুরুল হোসেন (৫৫), নুরুল আলমের পুত্র মোঃ রফিক (৩২)। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর লম্বরী গ্রামের হাবিবুল্লাহর পুত্র ছৈয়দ কাসেম (৫৫), জাফর আলমের পুত্র শাহাবুদ্দিন (১৯), মৃত মিরাজের পুত্র আবদুল আমিন (২৪), হামিদুল হকের পুত্র গফুরুল ইসলাম (২২)।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশণার (ভুমি) প্রণয় চাকমা জানান টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ এবং একাধিক নৌকা ডুবির ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানীতে শাহপরীরদ্বীপের বিক্ষুদ্ধ জনতা ৩টি ট্রলার পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে। ##

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •