কক্সবাজারের ৬৪০ গ্রামপুলিশ সদস্য বেতন বঞ্চিত

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও:

কক্সবাজার জেলার ৭১ ইউনিয়নে কর্মরত ৬৪০ জন গ্রাম পুলিশ সদস্য তথা চৌকিদার ও দফাদার গত কয়েক মাস ধরে বেতন-ভাতা পাননি। পবিত্র ঈদুল আযহার আগে পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বলে সংশ্লিষ্টদের মন্তব্য। এতে করে উক্ত গ্রাম পুলিশ সদস্যদের পরিবার-পরিজনকে নিরানন্দে ঈদ কাটাতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বর্তমানে ৬৪০ জন চৌকিদার ও দফাদার কর্মরত রয়েছেন।   সামান্য বেতনে তারা বছরের পর বছর সরকার ও জনগণের সেবা করে আসছেন।

তাদের চাকুরী রাজস্ব খাতভূক্ত নয়। উন্নয়ন খাত থেকে তাদের যৎসামান্য বেতন দেয়া হয়। প্রতি ৩ মাস অন্তর অন্তর তারা বেতন-ভাতা পান। সরকারী অংশ জেলা প্রশাসন এবং বেসরকারী ১% অংশ উপজেলা প্রশাসন থেকে নগদ পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশ কর্মচারী ইউনিয়ন জেলা শাখা সভাপতি ও ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ দফাদার নুর মোহাম্মদ জানান, সর্বমোট তাদের মাসিক বেতন ৩ হাজার টাকা। এর মধ্যে সরকারী অংশ ১৫০০ এবং বেসরকারী বা ইউপি অংশও ১৫০০।

গত জুলাই থেকে তারা এখনো বেতন পাননি। জেলা নেতৃবৃন্দ বিগত ১০/১৫ দিন যাবত বেতনের জন্য ইউএনও ও ডিসি অফিসে বারবার যোগাযোগ করেও ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ডিসি অফিসে যোগাযোগ করলে জেলা প্রশাসনের বিলিং সহকারী মার্মা বাবু ডিসি বা প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করতে বলেন। আর ইউএনও অফিসে গেলে তিনি ছুটিতে আছেন বলে জানানো হয়। উল্লেখ্য, বর্তমানে কক্সবাজারের ডিসি ঢাকায় অবস্থান করছেন।

সংগঠনটির জেলা সাধারণ সম্পাদক, চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন চৌকিদার মোহাম্মদ এরশাদ বলেন, গ্রাম পুলিশদের পেটে ভাত নেই। কোরবানীর গরু কিনা তো দুরের কথা, তেল-মসলা কিনারও টাকা নেই। বর্তমানে তাদের পরিবারে চলছে হাহাকার। ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। এর মধ্যে যদি তারা বেতন না পান তাহলে পরিবার-পরিজনের কাছে কিভাবে মুখ দেখাবেন। তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

তিনি আরো জানান, প্রতি সপ্তাহে ওয়ার্ড ভিত্তিক জন্ম ও মৃত্যু তথ্য সংগ্রহ, গবাদি পশুর হালনাগাদ তথ্য সরবরাহ, মাদক ও অপরাধে জড়িত লোকের তথ্য প্রদান, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদে সম্পৃক্তদের স্বনাক্তকরণসহ সরকারী বিভিন্ন কাজে দিন-রাত তাদের ভূমিকা রাখতে হয়। কিন্তু কথায় আছে, পেটে খেলে পিঠে সয়। তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ থাকায় অবর্ণনীয় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

একইভাবে দুঃখের কথা জানালেন সংগঠনটির কক্সবাজার সদর থানা সভাপতি, পিএমখালী ইউনিয়ন চৌকিদার জামাল উদ্দীন এবং সাধারণ সম্পাদক পোকখালী ইউনিয়ন চৌকিদার মো. ফারুক। তারা বলেন, ডিসি নেই, ইউএনও নেই, এ অযুহাতে নানা তালবাহানার মাধ্যমে তাদের বেতন ফাইলে দস্তখত করেননি সংশ্লিষ্টরা। কেন্দ্রীয় স্মারক নং ও দেয়া হয়নি এতে।

চকরিয়া উপজেলা গ্রাম পুলিশ সভাপতি, চিরিঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চৌকিদার জাহাঙ্গীর আলম ও উপজেলা সাধারণ সম্পাদক, ঢেমুশিয়া ইউনিয়ন চৌকিদার আবু তাহের মানিকসহ অনেকেই বেতন না পাওয়ায় নিজেদের অবর্ণনীয় দুঃখ কষ্টের কথা জানান এ প্রতিনিধিকে। এ ব্যাপারে তারা প্রশাসনের বেতন দানকারী কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কক্সবাজার নিউজ সিবিএন’এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

সর্বশেষ সংবাদ

স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

চকরিয়ায় একদিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে ১৩ শিশু আহত

চট্টগ্রামের তিন ছিনতাইকারী আটক

শাহীন চৌধুরী নৌকার প্রার্থী মনোনীত হওয়ায় উখিয়ায় ছাত্রলীগের অানন্দ মিছিল

টেকনাফ বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ৩

শাহিনা চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়ায় হ্নীলায় আনন্দ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত

কলাতলীর সমাজসেবক শফি উল্লাহর পিতার ইন্তেকাল, রাত দশটায় জানাজা

এই ছবি আসলে কার?

মনোনয়ন পাবে না বিএনপির শোডাউনকারীরা

চূড়ান্ত মনোনয়ন জোটের সঙ্গে বসে : ফখরুল

বৃহস্পতিবার এড. আহামদ হোসেন স্মরণে ফুলকোর্ট রেভারেন্স

কক্সবাজার সরকারি কলেজে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (স:) পালিত

জিএম রহিমুল্লাহর মৃত্যুতে ছাত্রশিবিরের শোক 

এলাকাবাসীকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে জননেতা জিএম রহিমুল্লাহ

চকরিয়ায় পিকনিকের বাস উল্টে খাদে পড়ে গার্মেন্টস কর্মী নিহত,আহত অর্ধশত

সাতকানিয়ায় নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী অপসারণ

বাংলাদেশি স্বামী পেয়ে সুখী মালয়েশীয় নারীরা

টেকনাফে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুইজন নিহত

জিএম রহিমুল্লাহর প্রথম জানাযা সম্পন্ন, শোকাহত জনতার ঢল

সৌদিআরবে জিএম রহিমুল্লাহর গায়েবানা জানাজা